আইএস জঙ্গির স্বীকারোক্তি ‘ বন্দি শিবিরে ধর্ষণ করে খুন করা হল কিশোরীকে’

isisবহু নৃশংস মৃত্যুর সাক্ষী আইএস জঙ্গির সহ্যের সীমা ভাঙল৷ বন্দি শিবিরে এক কিশোরীকে লাগাতার ‘ধর্ষণ’ তার মন টলিয়ে দিয়েছে৷ অবশেষে সে পালিয়ে এসে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি দিয়েছে৷ একটি ইংরাজি ব্লগে তার এই সাক্ষাৎকার প্রকাশ হওয়ার পরই আলোড়ন ছড়িয়েছে৷ পরে ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘DAILY MAIL’ এই সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট জঙ্গি নাইজির সিরিয়ার একটি বন্দি শিবিরের পাহারাদার ছিল৷ সেখানে বন্দি এক কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ করা হয়৷ সুদান থেকে আসা আইএস জঙ্গি তা উপর অত্যাচার চালায়৷ এমনই পরিস্থিতি ক্রমাগত রক্তক্ষরণে যে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়৷ আইএস জঙ্গি নাইজির এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায়৷ তখন অন্য এক আইএস জঙ্গি বলে, ‘এই সমস্ত কিশোরীরা বন্দি৷ তাই যা ইচ্ছে করাই যেতে পারে তাদের সঙ্গে৷’
এরপরেই আইএস ছেড়ে পালিয়ে যায় নাইজি৷ তার সাক্ষাৎকার ও কিছু সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সিরিয়ার ওই শিবিরে বন্দি রয়েছে প্রায় ৪৭৫ মহিলা৷ তাদের কয়েকজন ইরাকি৷ এরা প্রায় প্রত্যেকেই সেনাকর্মীদের স্ত্রী৷ নাইজির জানায়, তাদের অবস্থা খুবই শোচনীয়৷ পরিবার-সন্তানদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকেন৷ যৌনকর্মী হিসেবে এদেরকে এখানে আটক করে রাখা হয়৷ এরপর তাদের উপর চলে অকথ্য অত্যাচার৷
সিরিয়া ও ইরাকের আইএস অধিকৃত এলাকায় চলছে সেনা অভিযান৷ ক্রমাগত মার খেয়ে দখল করা এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে জঙ্গিরা৷

Advertisements