কাশ্মীরে মহিলাদের চুল কাটার ঘটনায় দোষারোপ সেনাবাহিনীর ওপর

hair 2 (1)hair

কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর অবস্থা ঠিক যেন যত দোষ নন্দ ঘোষের মতো। কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গাতে বেশ কিছুদিন ধরেই রাতের অন্ধকারে কে বা কারা মহিলাদের চুল কেটে নিয়ে যাচ্ছে। বাড়ির দরজা বন্ধ থাকলেও এই ঘটনা ঘটছে। চুল কাটার ঘটনা বেশি ঘটছে সাম্বা,কাঠুয়া,আখনুর,রাজৌরিতে। এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে এলাকাগুলিতে। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রচার করে বেড়াচ্ছে যে সেনা জওয়ানরা এই কাজ করছে। এর ফলে জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মহিলারা। বর্তমানে পাথর ছোড়ার কাজ প্রায় বন্ধ,কারণ বেশিরভাগ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদেরকে এনআইএ গ্রেপ্তার করেছে। তাই ভারতবিরোধী আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে মহিলাদেরকে রাস্তায় নামানোর পরিকল্পনা এটা বলে মনে করছেন অনেকে।  এমনকি কয়েকদিন আগে ত্রালে মহিলারা সেনার এক জওয়ানকে ঘিয়ে ধরে হেনস্তা করেন। এই ব্যাপারে জম্মু,কাঠুয়া ও সাম্বা রেঞ্জের ডিআইজি অক্ষুর আহমদ ওয়ানি বলেন, ”বেশির ভাগ চুল কাটার ঘটনা বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যে ঘটছে। তাই সেনার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন”।

Advertisements

সুপ্রিম কোর্ট শরিয়তের উর্ধ্বে নয়, মন্তব্য মুসলিম ধর্মগুরু মাজিদ হায়দারির

তিন তালাকের মতো প্রথাকে যখন অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, তখন শরিয়তের দোহাই দিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ের বিরোধিতা করেছিল মুসলিম সমাজের একাংশ। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও মুসলিম মহিলাদের তিন তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আর এবার নাবালিকা স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসকেও ধর্ষণ বলে মানতে নারাজ মুসলিম ধর্মগুরুদের একাংশ। এক্ষেত্রেও বাল্যবিবাহের মতো কুপ্রথাকেই কার্যত সমর্থন করছেন তাঁরা। মুসলিম ধর্মগুরু মাজিদ হায়দারির সাফ কথা, মুসলিমদের কাছে সুপ্রিম কোর্টের রায় কখনই শরিয়তের উর্ধ্বে হতে পারে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় যে শরিয়ত অনুযায়ী কোনো বালিকা বয়ঃসন্ধিতে ঋতু কালে পৌঁছলে সে বিবাহের যোগ্য।

এমনিতে এদেশের আইনে, ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে কোনও মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হলে, তা ধর্ষণ বলেই গণ্য হয়। কিন্তু, বিয়ের পর স্বাভাবিক নিয়মেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু, স্বামী যদি স্ত্রীর আপত্তি অগ্রাহ্য করে, তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, তাহলে সেটি বৈবাহিক ধর্ষণের পর্যায়ে পড়ে। তবে বৈবাহিক ধর্ষণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ কিনা, সে প্রশ্নের মীমাংসা হয়নি। তবে বুধবার এক ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসকে আইনে চোখে ধর্ষণ বলে গণ্য করা হবে। অনেকেই বলছেন, প্রাপ্ত বয়স্ক না হলে যৌনতায় সম্মতির প্রশ্ন আসে না। তাই নাবালিকাদের বৈবাহিক ধর্ষণের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এই প্রেক্ষাপটে বিবাহিত নাবালিকাদের যৌন নিগ্রহ রুখতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট।যদিও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের তীব্র বিরোধিতা করেছেন মুসলিম ধর্মগুরু মাজিদ হায়দারি। তাঁর সাফ কথা, মুসলিমদের কাছে সুপ্রিম কোর্টের রায় কখনই শরিয়তের থেকে বড় হতে পারে না। এমনকী, মুসলিমরা সুপ্রিম কোর্টের রায় মানতেও বাধ্য নন বলে মন্তব্য করেছেন এই মুসলিম ধর্মগুরু। মাজিদ হায়দারি জানিয়েছেন, শরিয়তি আইনে ঋতুবতী বালিকাদের বিবাহযোগ্য বলে গণ্য করা হয়। তবে কোন বয়সে বিয়ে করবে, সেটা ঠিক করার অধিকার বালিকাদের আছে।

রায়গঞ্জে জালনোটসহ গ্রেপ্তার বাবলু শেখ ও ইসমাইল আলি

গত ১৭ই অক্টোবর, মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলার  রায়গঞ্জে ২৬ হাজার টাকার জাল ভারতীয় টাকাসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এদিন জেলখানা মোড় সংলগ্ন এলাকা থেকে এই জাল নোট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম বাবলু শেখ ও ইসমাইল আলি। এদের মধ্যে প্রথম জনের বাড়ি মালদহের কালিয়াচকে ও অপরজনের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে। তল্লাশি চালিয়ে বাবলুর কাছ থেকে ১২ হাজার টাকার ও ইসমাইলের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকার জালনোট উদ্ধার হয়েছে। ধৃতরা কেন এই নোট সংগ্রহ করেছিল, এই নোটগুলি নিয়ে তারা কোথায় যাচ্ছিল, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না এসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপার শ্যাম সিং বলেন, জাল নোট সহ পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ২৬ হাজার টাকার জালনোট উদ্ধার হয়েছে। এদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিরিয়ানিতে গরুর মাংস মেশানোর দায়ে শ্যামবাজারে গ্রেপ্তার এক

শ্যামবাজারের বিরিয়ানি দোকান হাজিদা বিরিয়ানি। বিরিয়ানি প্রেমী হিন্দুদের কাছে এই দোকানের মাটন বিরিয়ানি খুব বিখ্যাত। দোকানটির ঠিকানা – 18A R.G.Kar Road, Kolkata-700004 .কিন্তু ওই দোকানের মাটন বিরিয়ানিতে গরুর মাংস মেশানো হয়, তা গত ১৭ই অক্টোবর, মঙ্গলবার একজন ক্রেতার তাত নজরে পড়ে। তিনি পুরো ঘটনা উল্টোডাঙা পুলিশ স্টেশনে লিখিতভাবে জানান। পুলিশ ওই দিন রাতেই বিরিয়ানি দোকানের এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে এবং দোকানটি বন্ধ করে দেয়। তবে দোকান মালিক পলাতক। তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তার খোঁজ চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কোচবিহারের সরকার হাটের কালীমন্দিরে গরুর মাংস ফেলল দুষ্কৃতীরা

Coochকোচবিহারের শীতলকুচি ব্লকের সরকারের হাটের কালীমন্দির। এলাকার হিন্দু জনসাধারণের কাছে খুব জাগ্রত মন্দির বলে পরিচিত। সেই মন্দিরে গত ১৪ই অক্টোবর রাতে গরুর হাড়-মাংস ফেলে দিয়ে গেলো দুষ্কৃতীরা। পরের দিন ১৫ই অক্টোবর সকালে স্থানীয় হিন্দুদের নজরে পড়ায় এলাকায় মানুষেরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তারা দল বেঁধে রাস্তায় বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাবার আগেই এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় হিন্দুরা অভিযোগ করেছেন যে তাদের সন্দেহ এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি।এই ঘটনায় স্থানীয় রাজবংশী হিন্দুরা ক্ষোভে ফুঁসছে।

পাচারের আগে আলিপুরদুয়ারে উদ্ধার ২ আদিবাসী যুবতী, গ্রেপ্তার সাদ্দাম হোসেন

বেশিরভাগ চা বাগানই বন্ধ। কাজ নেই, বাড়িতে অভাব। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আদিবাসী পরিবারের মেয়েদেরকে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে ভারতের অন্য রাজ্যের যৌনপল্লীগুলিতে। রীতিমতো দল বেঁধে  পাচারকারীরা ঘাঁটি গেড়েছে চা বাগানগুলিতে। কাজের  টোপ দিয়ে  ভিনরাজ্যে পাচারের আগে কালচিনি থানার পুলিশ ১৪ই অক্টোবর, শনিবার সকালে হাসিমারা থেকে দুই আদিবাসী যুবতীকে উদ্ধার করে। নারীপাচারের অভিযোগে এদিনই পুলিশ এক মহিলাকে আটক করে এবং এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। কালচিনি থানার ওসি লাকপা লামা বলেন, কালচিনির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাহায্যে চা বাগানের দুই যুবতীকে এদিন হাসিমারা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সাদ্দাম হোসেন নামে নারীপাচার চক্রের এক পান্ডাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত এক মহিলা এজেন্টকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর দুই যুবতীকে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই যুবতীর বাড়ি কালচিনির ভাতখাওয়া চা বাগানে। গত পাঁচ দিন ধরে ওই দু’জন নিখোঁজ ছিল। এনিয়ে যুবতীদের পরিবার পুলিশকে অভিযোগও জানায়। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে লোহিত এক্সপ্রেসে দুই কিশোরীকে এদিন পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেকারণেই তাদের হাসিমারায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এদিন পুলিশ হাসিমারা থেকে তাদের উদ্ধার করে।

সুরেন্দ্র সিনহাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করলো হাসিনা সরকার

surendra sinhaগত ১৩ই অক্টোবর, শুক্রবার রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা থেকে রওনা হলেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম হিন্দু প্রধান বিচারপতি এস কে সিন্‌হা। ছুটি নিয়ে বিমানবন্দরের পথে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, “প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এটি সহজেই অনুমেয় যে, সরকার উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করছে এবং এর দ্বারা বিচার বিভাগ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি হবে। এটি রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না।” বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির চাকরির মেয়াদ রয়েছে আরও সাড়ে তিন মাস।

বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে বিচারপতি সিন্‌হার দেওয়া চিঠির উল্লেখ করে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “প্রধান বিচারপতি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ‌আমেরিকা এবং ব্রিটেন— এই চারটি দেশে যেতে চান। আগামিকাল ১৩ই অক্টোবর দেশ ত্যাগ করতে চান এবং ১০ নভেম্বর দেশে ফিরে আসবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।” বাংলাদেশের আইন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, বর্ধিত ছুটিতে প্রধান বিচারপতির বিদেশে অবস্থানের সময়ে, অর্থাৎ ২ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত, অথবা তিনি দায়িত্বে না ফেরা পর্যন্ত বিচারপতি মহম্মদ আব্দুল ওয়াহাব মিঞা প্রধান বিচারপতির কার্যভার সামলাবেন। চলতি বছরের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ  রায় প্রকাশের পর থেকেই সরকারে থাকা আওয়ামি লিগের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েন বিচারপতি এস কে সিনহা।বাংলাদেশের বিচারপতিদের পদ থেকে অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফেরাতে আনা হয়েছিল সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী। সেই সংশোধনী বাতিল করে জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনকালে প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরিয়ে আনে সুপ্রিম কোর্ট। সাত বিচারপতির ঐকমত্যের ৭৯৯ পৃষ্ঠার এই রায়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নিজের পর্যবেক্ষণের অংশে দেশের বিভিন্ন বিষয়ের সমালোচনা করেন।

আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের বিভিন্ন স্তর থেকে প্রধান বিচারপতির তীব্র সমালোচনা করা হয়। পর্যবেক্ষণে বঙ্গবন্ধুকে ‘খাটো করা হয়েছে’ অভিযোগে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিও এসেছিল। তখন বিএনপি এ রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে স্বাগত জানিয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রধান বিচারপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামি লিগের আইন সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, “প্রধান বিচারপতি বিদেশ যাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছেন। সেখানে তিনি অসুস্থতার কথা বলেছেন। কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রধান বিচারপতি আইসিডিডিআরবিতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। এর থেকেই বোঝা যায় তিনি অসুস্থ। তিনি তাঁর লিখিত আবেদনেও বলেছেন, তিনি অসুস্থ। তাঁর ছুটি চাওয়ার পেছনে আওয়ামি লিগ বা সরকারের কোনও চাপ ছিল না।”

নারীপাচারকারীকে ধরতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশকর্মীরা,আহত ৫

pulish

(ছবিতে আহত পুলিশ কর্মীরা )

নারী পাচারকারী কালাম তরফদারকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তার প্রতিবেশী ও সঙ্গীদের হাতে বেধড়ক মার খেলেন পুলিশকর্মীরা। ঘটনাটি গত ১৪ই অক্টোবর শনিবার উত্তর ২৪ পরগণা জেলার গোপালনগর থানার অন্তর্গত গঙ্গানন্দপুর পঞ্চায়েতের মাঝডোবা গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে,এই ঘটনায় এক মহিলা এএসআই সহ দুই পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। গত ১২ই অক্টোবর,বৃহস্পতিবার কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ গোলাম মোস্তাফা নামের এক নারী পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। তার সহযোগী কালাম তরফদারকে ধরতে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ গোপালনগর থানার পুলিশকে নিয়ে ওই গ্রামে যায়। তখনই আক্রান্ত হয় পুলিশ। বলাই বাহুল্য,পুলিশকে আক্রমণকারীরা সকলেই ছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

স্বামীর অধিকার নিয়ে ঝগড়া, দুই বিবির কাটা গেল কান

মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকলের মোজামপুর এলাকার বাসিন্দা সিন্টু শেখের দুই বিবি কুলসোনা বিবি ও চাঁদমণি বিবি। সিন্টু শেখ রাজ্যের বাইরে কেরালায় কাজের সূত্রে গিয়েছিলো। কয়েকদিন আগেই সে বাড়ি ফিরে আসে। স্বামী বেশি সময় কাটায় অন্যজনের কাছে – স্বামীর প্রতি এই অভিযোগ করে সিন্টু শেখের দুই বিবি। আর এই নিয়ে গত ১৪ই অক্টোবর বিকেলে দুই বিবির ঝগড়া চরমে ওঠে। তাতেই তারা বঁটি নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করে বসে। তাতেই কুলসোনা বিবির ডান কান এবং চাঁদমনি বিবির বাঁ কান কাটা যায়। বর্তমানে দুজনেই মুর্শিদাবাদ জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।

তুফানগঞ্জে পাচারকারীদের আক্রমণে জখম বিএসএফ জওয়ান

গত ১২ই অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাতে তুফানগঞ্জে দুষ্কৃতীদের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন বিএসএফের হেড কনস্টেবল। ওই জওয়ান কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতের নাম রামচরণ সিং। তিনি তুফানগঞ্জের বালাভূতের ঝাউকুঠিতে গোয়েন্দা বিভাগে কর্তব্যরত ছিলেন। তিনি বৃহস্পতিবার রাত ৮টা নাগাদ সীমান্ত থেকে সাইকেলে করে ক্যাম্পে ফিরছিলেন। রাস্তায় দুষ্কৃতীরা তাঁকে আক্রমণ করে। লাঠি দিয়ে তাঁকে প্রচণ্ড মারা হয়। খবর পেয়ে অন্যান্য জওয়ানরা তাঁকে উদ্ধার করে তুফানগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাঁকে কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে রেফার করা হয়। অন্য জওয়ানদের দেখে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় তুফানগঞ্জ থানায় অভিযোগ জানিয়েছে বিএসএফ। তুফানগঞ্জ থানা জানিয়েছে যে তাদের সন্দেহ পাচারকারীদের প্রতি।  ঘটনার তদন্ত চলছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

উপত্যকায় ফের বড়সড় সাফল্য সেনার, খতম শীর্ষ লস্কর কমান্ডার-সহ ২ জঙ্গি

indian-army_web-1 (1)জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসদমন অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল সেনা। শনিবার, ১৪ই অক্টোবর সকালে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে শীর্ষ লস্কর কমান্ডার সহ দুই জঙ্গি। সেনা সূত্রে খবর, পুলওয়ামার লিটার গ্রামে জঙ্গিদের একটি ডেরার সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘাঁটিতে এক শীর্ষ লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবরও মেলে গোপন সূত্রে। তারপরই অভিযানে নামে সেনা। ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। পালানোর পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জওয়ানদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। শুরু হয় তুমুল গুলির লড়াই। বেশ কিছুক্ষণ লড়াই চলার পর সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হয় কাশ্মীর উপত্যকার লস্করের শীর্ষ কমান্ডার ওয়াসিম শাহ ও আরও এক জঙ্গি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও জারি রয়েছে সংঘর্ষ। গোটা এলাকা ঘিরে ধরে চিরুণি তল্লাশি শুরু করেছে সেনা। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত বাহিনী। কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান তীব্রতর করে তুলেছে সেনা। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জঙ্গি হামলাও। তবে একের পর এক শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের খতম করায় রাজ্যে প্রায় কোণঠাসা সন্ত্রাসবাদীরা। এমনকী প্রাণের ভয়ে জঙ্গি সংগঠনগুলির কমান্ডার পদে নিযুক্ত হতে চাইছে না কেউ। বুধবার, বান্দিপোরা জেলার হাজিন এলাকায় সেনার একটি কনভয়ের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই হামলায় নিকেশ হয় ২ জঙ্গি। শহিদ হন দুই জওয়ানও। এর আগে সোমবার বারামুলার রফিয়াবাদে সেনার গুলিতে খতম হয় জইশ-ই-মহম্মদের সিনিয়র কমান্ডার উমের খালিদ। শ্রীনগর বিমানবন্দরের কাছে বিএসএফের একটি ছাউনিতে জঙ্গি হামলা ও পুলওয়ামার জেলা পুলিশ লাইনে জঙ্গি হামলার মূল অভিযুক্ত ছিল খালিদ। একই দিনে সোপিয়ান নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জেলায় সংঘর্ষে নিহত হয় জইশের তিন জঙ্গি।

হিন্দুবীর দয়াল বর্মনকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনলো হিন্দু সংহতি

rayganjযারা হিন্দুর স্বার্থে জিহাদি শক্তির বিরুদ্ধে লড়েছে, হিন্দু সংহতি জন্মলগ্ন থেকেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আর এবারও তার অন্যথা হলো না। রায়গঞ্জের হিন্দু সংহতির কর্মী দয়াল বর্মনকে হিন্দু সংহতি জেল থেকে ছাড়িয়ে আনলো গত ১২ই অক্টোবর। দয়াল বর্মন উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত ভটোসা গ্রামের বাসিন্দা। গত দুর্গাপূজা চলাকালীন মহাঅষ্টমীর দিন গ্রামেই দুর্গা মণ্ডপে অঞ্জলি চলছিল। কিন্তু তখন গ্রামের মসজিদে আজানও চলছিল জোরকদমে। অনেকেই মুসলিমদের অনুরোধ করেন মাইকের আজানটা অঞ্জলীর সময় বন্ধ রাখার জন্যে। কিন্তু সংখ্যালঘু ভাইয়েরা সেকথা শোনেনি। তখন গ্রামের বীর যুবক দয়াল বর্মন একাই মসজিদে উঠে মাইক খুলে নামিয়ে নেন। মহাঅষ্টমীর  অঞ্জলিও শেষ হয় নির্বিঘ্নে। কিন্তু  মসজিদের পক্ষ থেকে দয়ালের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই দিনই পুলিশ দয়ালকে গ্রেপ্তার করে। গত ১২ই অক্টোবর দয়াল জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর দয়ালকে মালা দিয়ে বরণ করে নেয় হিন্দু সংহতি কর্মীরা। পরে সংহতির কর্মীরা মিছিল করে তাকে তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেয়।

কোচবিহারের গোসাইরহাটে কালীমূর্তি ভাঙলো মুসলিমরা

কোচবিহারে হিন্দু মন্দিরে মুসলিমদের হামলা অব্যাহত। কয়েকদিন আগেই মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড়ের কালী মন্দিরে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা মা কালীর প্রতিমা ভাঙচুর করেছিল। আর এবার মা কালীর প্রতিমা ভাঙলো মুসলিমরা গোসাইরহাটের গড়খোলাতে। গড়খোলা মোড়ের পুরোনো ও পরিচিত ক্লাব পল্লীদর্শন ক্লাব। এরা দীর্ঘদিন ধরেই কালীপূজা করে আসছে। গত বুধবার,১১ই অক্টোবর সন্ধ্যায় ক্লাবের সদস্যরা গোসাইরহাট যোগাযোগকারী পঞ্চারহাট মোড়ে কালী পূজার জন্যে সাহায্য সংগ্রহ করছিলো। ক্লাবের সদস্য অনন্ত বর্মন জানিয়েছেন, রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ দুটি ইঁটভাটার গাড়ির কাছ থেকে সদস্যরা সাহায্য সংগ্রহ করছিলেন। আর ওই সময়েই পিছনে একটি মারুতি ওমনি গাড়ি পিছনে আটকে পড়ে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওর ভিতর থেকে দুজন মুসলিম যুবক বেরিয়ে এসে ক্লাবের সদস্যদের গালিগালাজ করে। ওই মুসলিমরা সকলেই পঞ্চারহাট এলাকার বাসিন্দা। এতে দুপক্ষের বচসা হয়। পরে গাড়িটি চলে যায়। কিন্তু আধ ঘন্টার মধ্যেই ওই দুজন যুবক প্রায় জনা পঞ্চাশ মুসলিম ছেলেকে নিয়ে ক্লাবের ছেলেদের আক্রমণ করে। ক্লাবের ছেলেরা আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পালিয়ে যায়। তখন ওই মুসলিম ছেলেরা ক্লাবঘর ভাঙচুর করে এবং ক্লাবের পাশে থাকা কালী মূর্তিতে ভাঙচুর চালায়। পরে হিন্দুরা বেশি সংখ্যায় জড়ো হয়ে ক্লাবে আসে,তখন তাদের ভাঙা কালী মূর্তি নজরে পড়ে। ক্ষিপ্ত হিন্দুরা ওই মুসলিমদেরকে ধরার জন্যে ওদের এলাকায় গেলে জানতে পারে যে ওই মুসলিমরা স্থানীয় তৃণমূল নেতা মদন বর্মনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। মদন বর্মন হিন্দুদেরকে বোঝান যে মুসলিমরা ভুল করে ফেলেছে এবং তিনি উভয়ের মধ্যে ব্যাপারটা মিটিয়ে নিতে বলেন। এমতবস্থায় অপমানিত হিন্দুরা হিন্দু সংহতির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তাদেরকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ফের গ্রেপ্তার আন্তঃরাজ্য মাদক কারবারের চাঁই জাহাঙ্গীর কবীর

drug-murshidabadধরা পড়ে জেল খেটেও কোন পরিবর্তন হয়নি আন্তঃরাজ্য মাদক কারবারের চাঁইয়ের। তাই ছাড়া পেয়ে ফের মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মাদক-হেরোইন কারবারের বড়সড় নেটওয়ার্ক বানিয়ে ফেলতে তৎপর হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীর কবীর। এই খবর পেয়েই ময়দানে কোমর বেঁধে নেমে পড়ে পুলিশও। আর তাতেই শেষ রক্ষা হল না ওই চাঁইয়ের। লালগোলা পুলিশের জালে আবারও বমাল ধরা পরে যায় জাহাঙ্গীর কবীর । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার পুলিশ তল্লাশি অভিযানে নেমে উন্নত মানের লক্ষাধিক টাকার হেরোইন সমেত পাকড়াও করে তাকে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লালগোলা থানার বিলবরা কোপরা অঞ্চলের রামনগরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আন্তঃরাজ্য মাদক কারবারে নতুন মুখ নয়। বহুদিন ধরেই হেরোইন পাচারের সাথে যুক্ত থেকেছে সে।বছর দুয়েক আগেও কোটি টাকা মূল্যের উন্নত মানের ৩.৫ কেজি হেরোইন সমেত গ্রেপ্তার হয় জাহাঙ্গীর।জেল খেটে ছাড়া পেয়ে ফের মাদক ব্যবসায় কিং পিন হবার দৌড়ে হাত পাকাতে শুরু করে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশেও তার নেটওয়ার্কের হদিস পেয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গত এবারও নির্দিষ্ট জায়গায় মাদক পৌঁছে দেবার জন্য বাড়ি থেকে গতকাল ১৩ই অক্টোবর গভীর রাতে বেড়ায় এই কারবারী।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার ওসি বিপ্লব কর্মকার ব্লু-প্রিন্ট বানিয়ে জঙ্গিপুর-লালগোলা রাজ্য সড়কের যশইতলা মোড়ে অভিযান শুরু করেন। এই অভিযানে গ্রেফতার হওয়া জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৪১০ গ্রাম হেরোইন। নারকটিক ড্রাগস এন্ড সাইকট্রপিক সাবস্টান্স অ্যাক্টে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এই ব্যাপারে লালগোলা থানার ওসি বিপ্লব কর্মকার বলেন, “ধৃত জাহাঙ্গীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তার বাংলাদেশ লিঙ্ক ও অন্যান্য কোথায় যোগাযোগ আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই কারবারের সাথে যুক্ত কাউকে ছাড়া  হবে না।”

কেরালায় পরিকল্পিতভাবে লাভ-জিহাদ চালাচ্ছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)

পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া – এই নামটির মধ্যে কোনোরকম ইসলামিক গন্ধ না থাকলেও এটি একটি মৌলবাদী ইসলামিক সংগঠন। এই সংগঠনটি পুরো কেরালা জুড়ে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করে চলেছে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে, এনআইএ (NIA) তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই তথ্য গত ১১ই অক্টোবর এনআইএ সুপ্রিম কোর্ট-এ পেশ করে।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এনআইএ কেরালায় ঘটে যাওয়া ৯৪টি  ইসলামী ধর্মান্তকরণের ঘটনা নিয়ে তদন্তে নামে। যার মধ্যে ৩৬ টি ধর্মান্তকরণে সরাসরি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা জড়িত।কয়েকটি মেয়ে তদন্তকারীদের জানিয়েছে যে তাদেরকে প্রলুব্ধ করা হয়েছে ইসলাম গ্রহণের জন্যে।  এনআইএ সূত্রে আরো জানা গিয়েছে যে, এই ধর্মান্তরিত মেয়েদের ইসলামিক আদব-কায়দা,নামাজ শেখানো প্রভৃতি শেখানোর কাজ করতো PFI -এর মহিলা শাখা ন্যাশনাল ওমেন ফ্রন্ট। এক্ষেত্রে মহিলা শাখার প্রধান সাইনাবকে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এনআইএ।  এছাড়া তাদের মধ্যে যারা নার্স বা ডাক্তার ছিল,তাদেরকে ইসলামিক স্টেট-এ যোগ দেওয়ার জন্যে উৎসাহিত করা হতো। ইতিমধ্যেই কেরালা থেকে বেশকিছু সংখক ধর্মান্তরিত যুবক-যুবতী সিরিয়া পাড়ি দিয়েছে। এই কেসগুলিতে প্রায় ৫০জন PFI কর্মীকে জেরা করা হয়েছে, এনআইএ সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছে। তবে তদন্ত এখনো চলবে বলে এনআইএ- এর এক অফিসার জানিয়েছেন।