হিন্দু সংহতির প্রাণপুরুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের পুলিশের

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বুধবার কলকাতার ধর্মতলার রানী রাসমণি এভিনিউতে হিন্দু সংহতির দশম বার্ষিক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই জনসভাতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার হিন্দু সংহতির কর্মী সমর্থক উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠানের শেষ মুহুর্তে সাংবাদিক নিগ্রহের অভিযোগে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়কে গ্রেপ্তার করে। খবরে প্রকাশ এই গ্রেপ্তার স্বয়ং মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পুলিশ IPC-এর ৩০৭, ৩২৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কিন্তু পুলিশের এই গ্রেপ্তারীতে অনেকেই চমকে গিয়েছেন। কারণ গত ২০১৪সালের নভেম্বরে এই ধর্মতলায় জমিয়তে-উলেমা-ই-হিন্দের সভা ছিল। সেই সভার নেতা ছিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, যিনি বর্তমানে তৃণমূল সরকারের গ্রন্থাগার মন্ত্রী। সেই সভাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও পুলিশকে প্রচুর মারধর করা হয়। মুসলিমদের মারা ইঁটের আঘাতে কলকাতা পুলিশের তিনজন ডেপুটি কমিশনারের মাথা ফেটে যায়। তারা দৌড়ে ওখান থেকে পালিয়ে ডালহৌসি ক্লাবে আশ্রয় নেন। ভাঙচুর করা হয় ডালহৌসি ক্লাবেও। খবর করতে গেলে ২৪ ঘন্টার সাংবাদিককে বেধড়ক মারধর করা হয়। ২৪ ঘন্টার নিউজভ্যানে ভাঙচুর চালায় মুসলিম জনতা। কিন্তু সেদিনের সেই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ একজনকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশের দায়ের করা সেই অভিযোগের বর্তমানে কি অবস্থা, তার খবরও রাজ্যের মানুষের জানা নেই। সেদিনের সেই অপরাধী তোষণের সুবিধা লাভ করে বর্তমানের গ্রন্থাগার মন্ত্রী। কিন্তু সেই ২৪ ঘন্টার সাংবাদিকের মাথায় হালকা আঘাতেই চাটুকার কলকাতা পুলিশ নড়েচড়ে বসলো এবং শ্রী তপন ঘোষকে গ্রেপ্তার করলো। কলকাতা পুলিশের এই হিন্দ-মুসলিমের ভেদাভেদমূলক আচরণে বাংলার হিন্দু জনগণ স্তম্ভিত। শ্রী তপন ঘোষ মহাশয় মঞ্চের ওপর থাকা সত্বেও তার ওপর খুনের চেষ্টা, মারধর করার অভিযোগ আনাতে অনেক অভিজ্ঞ আইনজীবীও স্তম্ভিত।

তবে এই ঘটনা ঘিরে সংবাদপত্রগুলো একযোগে হিন্দু সংহতির বদনাম করতে মাঠে নেমে পড়েছে। বাংলার প্রায় প্রতিটি সংবাদপত্র হিন্দু সংহতির দোষ দেখতে পাচ্ছে এই ঘটনায়। কিন্তু বিগত দশ বছর ধরে বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সাধারণ হিন্দুর একমাত্র আশা-ভরসা যে হিন্দু সংহতি, সে বিষয়ে কোনোদিন এই মিডিয়াকে লিখতে দেখা যায়নি। যদিও ঐদিনের সভায় শেষলগ্নে সাংবাদিকদের অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও সাংবাদিকরা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করা পরিবারটিকে অনেক উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করতে থাকেন। News Nation -এর মহিলা সাংবাদিক হিন্দু সংহতিকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করে বলেন ”Hindu Samhati – my foot”। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায় গ্রাম বাংলা থেকে আসা হিন্দু সংহতির কর্মীরা, যারা হিন্দু সংহতিকে ভালোবাসেন। তারপরেই তারা সাংবাদিকদেরকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। পরে সাংবাদিকরা শ্রী ঘোষ মহাশয়কে ক্ষমা চাইতে বলেন। শ্রী ঘোষ মহাশয় এই অনভিপ্রেত ঘটনার জন্যে দুঃখ প্রকাশ করেন। তা সত্ত্বেও মেরুদন্ডহীন মিডিয়ার করা অভিযোগ এবং নির্লজ্জ পুলিশের মুসলিম তোষণের জন্যে হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ শ্রী তপন ঘোষ মহাশয় আজ জেলে।
Advertisements

পোস্ত খোসাসহ এক পাচারকারী গ্রেপ্তার মালদহের বৈষ্ণবনগরে

বেআইনি পোস্ত খোসাসহ এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো মালদার বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বুধবার রাতে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ গোপন সুত্রে খবর পেয়ে সাহাবানচকের ভাগজান এলাকায় হানা দেয়। সেখানে হানা দিয়ে পুলিশ একজনকে আটক করে। ধৃতর বাড়ি থেকে আটক করা হয় ৪০১ কেজি বেআইনি পোস্তের খোসা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ টাকা। পুলিশ সুত্রে খবর, ধৃত পাচারকারীর নাম মেতাহার আজিজ(৩৩)। বাড়ি বৈষ্ণবনগর থানার সাহাবানচকের ভাগজান এলাকায়। সাতদিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে গত ১৫ই ফেব্রুয়ারী, বৃহস্পতিবার বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ ধৃতকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করে।

দক্ষিণ দিনাজপুরে আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার মোস্তাকিন মন্ডল

গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী, শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়ির মোহনপুরে অষ্টম শ্রেণীর এক আদিবাসী ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ এক সংখ্যালঘু মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত যুবকের নাম মোস্তাকিন মণ্ডল(২২) ওরফে আপেল। অভিযোগ, মা-বাবা মারা যাওয়ার পরে ওই নাবালিকা মোহনপুরে মামা বাড়িতে থাকত। অভিযোগ গত ১৫ই ফেব্রুয়ারী, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়েটি জমিতে কাজে গেলে তাকে ওই প্রতিবেশী যুবক ধর্ষণ করে। নাবালিকার পরিবারের তরফে বিষয়টি নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এনিয়ে গত শুক্রবার স্থানীয় হিন্দুরা দলবদ্ধভাবে থানায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ তৎপর হয়। পুলিশ রাতেই ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

বাংলাদেশী হিন্দুদেরকে আসাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানালেন AIUDF বিধায়ক

“হিন্দু বাংলাদেশীদেরকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হলে মুসলমানরা তা মানবে না। ভারতের মুসলমানদেরকে অসন্তুষ্ট রেখে এ দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে না। ভারতীয় মুসলমানদের আওয়াজ শুনুন। বাংলাদেশী হিন্দুদেরকে ভারত থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হোক। আসামের মুসলমানদের প্রতি হয়রানি বন্ধ হোক” – গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারী আসাম বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে এমনই বক্তব্য দিলেন AIUDF বিধায়ক মামুন ইমদাদুল হক চৌধুরী।প্রসঙ্গত আসামে অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করার জন্যে নাগরিক পঞ্জীকরণের কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে যে এর ফলে আসামে বসবাস করা কয়েক লক্ষ্য অবৈধ মুসলিম আসামে বসবাস করার অধিকার হারাতে পারেন। আর তা নিয়ে রাজ্যের মুসলিম লবি যার মাথায় রয়েছেন সাংসদ বদরুদ্দীন আজমল, রাজ্যের সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্যে নানারকম উস্কানিমূলক মন্তব্য ও প্রচার করে চলেছে। আর এবার দলেরই এক বিধায়কের মন্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

১৪ই ফেব্রুয়ারী সভায় আসার পথে বিষ্ণুপুর ও উলুবেড়িয়াতে মুসলিমদের দ্বারা আক্রান্ত হিন্দু সংহতির কর্মীরা

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বুধবার কলকাতার বুকে ধর্মতলার রানী রাসমণি এভিনিউতে হিন্দু সংহতির দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা গাড়ি করে সভায় আসছিল। কিন্তু আসার পথে পাকিস্তানপন্থী জিহাদি মুসলমানরা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিষ্ণুপুর এবং হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়াতে হিন্দু সংহতির কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর করে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার হিন্দু সংহতির কর্মীরা ৩টি গাড়ি করে যখন নওহাজারীর পোলের ওপর দিয়ে পাকিস্তান মুর্দাবাদ স্লোগান দিতে দিতে আসছিল, তখন স্থানীয় মুসলিমরা গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে। পরে বিশাল সংখ্যক মুসলিম জনতা সংহতি কর্মীদের গাড়ি ঘিরে ধরে এবং দাবি করে যে এই এলাকায় পাকিস্তান মুর্দাবাদ স্লোগান দেওয়া চলবে না। এই নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এই সংঘর্ষে হিন্দু সংহতির কয়েকজন কর্মী আহত হয়। পরে বিষ্ণুপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার ফলে সংহতি কর্মীরা ১৪ই ফেব্রুয়ারী-এর সভায় যোগ দিতে পারেনি।
অন্যদিকে, হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়ার হিন্দু সংহতি কর্মীরা ৬টি গাড়ি করে ১৪ই ফেব্রুয়ারী-এর জনসভায় যোগ দিতে আসছিল। কিন্তু একটি গাড়ি একটু পিছনে থেকে  যায়। আর সেই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে মুসলিমরা নিমদিঘির ফকিরপাড়া মোড়ের কাছে ইট ছোড়ে। সেই ইটের আঘাতে গাড়ির ড্রাইভার ও সামনে বসা দুজন হিন্দু সংহতির কর্মী আহত হয়। পরে কর্মীরা নেমে মুসলিমদের তাড়া করে এবং মুসলিমরা পালিয়ে যায়। পরে গাড়িটি ধর্মতলার সমাবেশে এসে পৌঁছায়।

সৌদি আরবে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে যোগ

Soudi Arabe nisiddho holo jogমহিলাদের গাড়ি চালানো বা স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখা – কট্টরপন্থী ইসলামকে দূরে সরিয়ে শিরোনামে আসছিল সৌদি আরব। দেশের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনও কট্টর ইসলামকে উৎখাতের ডাক দেন। যোগব্যায়ামকেও খেলার অংশ হিসেবে মেনেছে সৌদি সরকার – এমন দাবি করেছেন সে দেশের যোগ প্রশিক্ষক তরুণী নৌফ আল মারওয়াই। এমনকি সৌদি আরবের মুসলিমদের মধ্যে যোগ ব্যায়াম-এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে।

‘আরব যোগ ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা নৌফ ১২ নভেম্বরের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘যোগ অর্থাৎ একাত্ম হওয়া। ব্যক্তির সুস্থতা, মন, আবেগ ও আত্মার যোগ। জাতির সঙ্গে বিশ্বের যোগ। এই যোগ শেষ পর্যন্ত গোঁড়ামি ও কট্টরপন্থার দেওয়াল পেরিয়ে সৌদি আরবের সাগরতীরে এসে পৌঁছেছে।’’ নৌফের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বৈধ কি না, তা স্পষ্ট নয়। অ্যাকাউন্টে রয়েছে, ‘‘যোগব্যায়াম নিয়ে অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়েছি। যোগব্যায়ামকে আর ঐতিহ্য-বিরোধী ভাবা হবে না।’’ সহযোগিতার জন্য নৌফ ধন্যবাদ দেন ভারত সরকার এবং সৌদি আরবের ভারতীয় দূতাবাসকেও। যোগব্যায়াম ইসলাম-বিরোধী – ভারত-সহ বিভিন্ন দেশে মুসলিম ধর্মগুরুরা এটাই প্রচার করেন। কিন্তু সৌদি আরব মুসলিম রাষ্ট্র হয়েও সেখানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে যোগ-ব্যায়াম।

হিন্দুসংহতির দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর খবর ইজরায়েলের সবচেয়ে বড়ো সংবাদপত্রে প্রকাশিত

ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলের বহুল প্রচারিত ও জনপ্রিয় সংবাদপত্র হলো দি টাইমস অফ ইজরায়েল। আর সেই সংবাদপত্রে হিন্দু সংহতির দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধটি লিখেছেন ইজরায়েলের বিশিষ্ট সাংবাদিক আমন্ড বর্সচেল-ড্যান। সেই নিবন্ধে হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে বিস্তারিতভাবে লেখা হয়েছে। এমনকি ঐদিনের সভায় ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-এর দাবি যে ইজরায়েলের রাজধানী জেরুজালেম, সেকথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেই দীর্ঘ  নিবন্ধে গত ২০০৮ সাল থেকে বাঙালি হিন্দুর পাশে থেকে হিন্দু সংহতির লড়াইয়ের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেই প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে ৭০,০০০ হিন্দুর জমায়েত থেকে ভয়েস ভোটের মাধ্যমে ইজরায়েলের রাজধানী জেরুজালেম – এই দাবিকে সমর্থন জানানো হয়। এছাড়াও ওই নিবন্ধের মাঝে মাঝে হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বিভিন্ন ছবিও প্রকাশিত হয়। আমাদের পাঠকরাও পড়তে পারেন দি টাইমস অফ ইজরায়েল-এ প্রকাশিত নিবন্ধ, এই লিঙ্ক-এ – https://www.timesofisrael.com/in-calcutta-tens-of-thousands-at-pro-israel-rally-by-far-right-hindu-movement/

হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা তপন ঘোষের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে জেলায় জেলায় ডেপুটেশন কর্মীদের

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বুধবার হিন্দু সংহতির দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনের দিন সাংবাদিকদের মারধর করার কারণ দেখিয়ে হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও মুখ্য উপদেষ্টা শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়কে সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার করে কলকাতার হেয়ার স্ট্রীট থানার পুলিশ। তারপর দুইবার কোর্টে তোলা হলেও শ্রী ঘোষকে নানা অজুহাতে জামিন দেওয়া হয়নি। আর তাই শ্রী ঘোষের মুক্তির দাবিতে রাজ্যব্যাপী জেলাশাসককে ডেপুটেশন দেওয়া হলো। গত ১৯শে ফেব্রুয়ারী, সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হাওড়া, উত্তর দিনাজপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদীয়াসহ একাধিক জেলার কর্মীরা ঐসব জেলার জেলাসশককে ডেপুটেশন দেয়। কর্মীরা দলবদ্ধভাবে বেশ কয়েকটি জায়গায় শ্রী ঘোষ মহাশয়ের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ও ক্যানিঙ-এ কর্মীরা বিক্ষোভ দেখায়। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশহর রায়গঞ্জে কর্মীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায়। মেদিনীপুর শহরে হিন্দু সংহতির সহ-সম্পাদক শ্রী সৌরভ শাসমল নেতৃত্বে কর্মীরা জেলাশাসকের অফিসের সামনে ধর্ণা দেন। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য জানিয়েছেন যে ডেপুটেশন হলো প্রথম পর্ব, তপন ঘোষের নিঃশর্ত মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আসামের পাথারকান্দিতে কালীমূর্তি ভাঙচুর দুষ্কৃতিদের

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারী, শনিবার আসামের পাথারকান্দির একটি প্রাচীন কালীমন্দিরে ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতিরা। রাতের অন্ধকারে এই ঘটনা ঘটায় দুষ্কৃতিরা। এই ঘটনায় সারা পাথারকান্দিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাথারকান্দি থানার অন্তর্গত ৫ নম্বর দোহালিয়া নিউ কলোনি কালীবাড়িতে এই মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতিরা মূর্তি ভেঙে টুকরো টুকরো করে পাশের নোংরা ডোবায় ফেলে রেখে যায়। এই ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু জনসাধারণ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাদের সন্দেহের তীর সংখ্যালঘুদের দিকে।  ঘটনার খবর পেয়ে পাথারকান্দি থানার পুলিশবাহিনী এলাকায় আসে। খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে আসেন স্থানীয় বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল। তিনি দোষীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দেন এবং নতুন মন্দির করে দেবার আশ্বাস দেন।

বন্ধুত্ব পাতানোর মূল্য ১লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা দিতে হলো পাকিস্তানকে

bondhutto patanor mulyoপাকিস্তানের প্রতি সৌজন্যেরও ‘মূল্য’ চোকাতে হয়েছে ভারতকে। সব সমালোচনাকে অগ্রাহ্য করে ২০১৫ সালের ২৫শে ডিসেম্বর তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে লাহোর গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সফরে প্রধানমন্ত্রীর পাকিস্তানের আকাশ ব্যবহারের জন্য ১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা দাম ধরানো হয় ভারতকে। আরটিআই আবেদনের প্রেক্ষিতে উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বায়ুসেনার বিমান ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের খরচ জানতে চেয়ে তথ্যজানার অধিকার আইনে আবেদন করেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী লোকেশ বাত্রা। তা থেকে নানা চমকপ্রদ তথ্য জানা গিয়েছে। সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার হল, এই দু’বছরে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় পাকিস্তানের আকাশ ব্যবহারের জন্য ২ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা দিতে হয়েছে ইসলামাবাদকে। বায়ুসেনার বিমানে চড়ে নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, কাতার, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান, ফিজি এবং সিঙ্গাপুর, এই ১১ দেশ সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানের আকাশ ব্যবহার করলে যাত্রী পরিবহণকারী বিমানকে তার দাম দিতে হয়। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া ব্যবহার করেন। তার বিল মেটায় বিদেশমন্ত্রক। তবে বায়ুসেনার বিমান ব্যবহারের পাকিস্তানের কাছে আনুমোদন চাইতে হয়। দিতে হয় অতিরিক্ত মাশুল। প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য সেই অতিরিক্ত দামটাই দিতে হয়েছে। ২০১৬ সালের ২২-২৩ মে বায়ুসেনার বিমানে চড়ে পাকিস্তানের ওপর দিয়ে ইরান সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বাবদ ৭৭ হাজার ২১৫ টাকা রুট নেভিগেশন চার্জ ধার্য করা হয়েছে। ওই বছরেই ৪-৬ জুন কাতার সফরের সময় পাকিস্তানের আকাশ ব্যবহারের জন্য ৫৯ হাজার ২১৫ টাকা ইসলামাবাদকে দিয়েছে দিল্লি।

ইসলামপুরের রামগঞ্জে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২ মুসলিম দুষ্কৃতি

islampurer ramgunjeগত ১৮ই ফেব্রুয়ারী, রবিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর থানার রামগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ দুই দুষ্কৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম হাফিজুল হক ও সফিরুল ইসলাম। তারা সুজালির কামারগছের বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে একটি নাইন এমএম পিস্তল, একটি ওয়ান শাটার ও ১৩টি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। ইসলামপুর থানার আইসি রাজেন ছেত্রি বলেন, ‘‘গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রামগঞ্জ হাইস্কুলের পাশে একটি মিষ্টির দোকান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।’’

কালনায় ব্ল্যাকমেল করে হিন্দু গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ, অভিযুক্ত মোমরেজ শেখ

পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানার বেলডাঙা গ্রামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে একাধিকবার সহবাসের অভিযোগ উঠলো এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নির্যাতিতা বধূ কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। কালনা থানার ওসি প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহিলার অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বধূ ১৪ ফেব্রুয়ারী বাড়িতে একা ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় এলাকার ১০০দিনের কাজের সুপার ভাইজার মোমরেজ শেখ ছবি তুলতে হবে বলে তাঁর ঘরে ঢোকে। এরপর তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এমনকী ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে মোমরেজ। এরপর সেই ছবি প্রকাশ্যে আনার কথা বলে ব্ল্যাকমেল করে সে বেশ কয়েকবার ওই বধূর সঙ্গে সহবাস করে বলে অভিযোগ। এরপরই গতকাল ১৯ই ফেব্রুয়ারী,  সোমবার ওই বধূ কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এখনও পর্যন্ত দোষী মোমরেজ শেখ গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

কাটোয়ার মূলটি গ্রামে বিস্ফোরণে উড়ে গেলো বাড়ির ছাদ

গতকাল ১৯শে ফেব্রুয়ারী, সোমবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার মুলটি গ্রামে মজুত করা বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল সাবমার্সিবল পাম্প ঘরের ছাদ। ওই গ্রামের দক্ষিণ মাঠে আজিজুল মল্লিক নামে এক ব্যক্তির সাবমার্সিবলের ঘরে এই বিস্ফোরণ হয়। খবর পেয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজিজুল মল্লিক কলকাতায় থাকেন। মাঝেমধ্যে গ্রামে চাষবাসের কাজ দেখভাল করতে আসেন। এর আগে গ্রামে বাড়ির কাছে রাখা তাঁর একটি গাড়ি রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ঠেলে পুকুরের জলে ফেলে দেয়। অনুমান করা হচ্ছে, পুরানো শত্রুতার জেরেই দুষ্কৃতিরা তাঁর ঘরে বোমা মেরেছে। গ্রামবাসীদের কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, এলাকার দুষ্কৃতিরা ওই ঘরে বোমা মজুত করেছিল। কোনও কারণে বিস্ফোরণ হয়। তাতেই ঘরের ছাদ উড়ে যায়।
কাটোয়া থানার ওসি সঞ্জীব ঘোষ বলেন, ‘‘ওই ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তে নামে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, আজিজুল মল্লিকের সঙ্গে পুরানো শত্রুতার জেরেই কেউ তাঁর ঘরে বোমা মেরেছে। মাটির গাঁথনি হওয়ায় ঘরের জানালা বা কিছু অংশ ভেঙে গিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

যোগগুরু বাবা রামদেবকে নিয়ে সিরিয়াল শুরু হচ্ছে ডিসকভারি চ্যানেলে

চেনেন তো তাঁকে সবাই, কিন্তু জানেন কতজন! তাঁর যোগ সাধনা এবং সাধারণের সুস্থ থাকার সহজ উপায়ের দাওয়াই আজ পরিচিত দেশ থেকে বিদেশ। সমুদ্রের ওপর ক্রুজে যোগের আসর বসানোর আয়োজন থেকে সাধারণ সভার মঞ্চ, সর্বত্রই তিনি একইরকম সহজ, সাবলীল। বক্ষ ছোঁয়া কালো যোগী দাড়ির আড়ালে চিবুকে সর্বদা লেগে থাকে মৃদু হাসি। চোখে কৌতুহল আর কৌতুকের ঝিলিক থাকে মজুদ। শাহরুখ, সলমন, হৃতিকদের কষ্টার্জিত সিক্স প্যাক তাঁর শরীরে যেন অনায়াস! কেবল যোগ সাধনা আর জীবনের সংঘর্ষ করার অন্তরের শক্তিতেই তিনি আগুনে পোড়া ধাতু। লক্ষ্যে অটল। কর্মে কার্পণ্যহীন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেবা এবং ব্যবসা, দুটির সংমিশ্রণে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা সেই ব্যক্তিকে নিয়েই সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে ডিসকভারি জিত চ্যানেলে শুরু হচ্ছে হিন্দি ধারাবাহিক ‘স্বামী রামদেব, এক সংঘর্ষ।’

পতঞ্জলি যোগপীঠের প্রতিষ্ঠতা রামদেব গোড়ার দিকে বাবা রামদেব বলেই বেশি পরিচিত ছিলেন। কিন্তু যোগ প্রতিষ্ঠানে তিনি যোগগুরু স্বামীজি। তার থেকেই স্বামী রামদেব। আর তাঁর সবচেয়ে প্রিয় পাত্র তাঁর প্রতিষ্ঠানের অন্যতম কাণ্ডারি আচার্য বালকৃষ্ণ। দু’জনে মিলেই বিস্তার করেছেন ব্যবসা। হার্বাল পতজ্ঞলি প্রোডাক্ট। যেখানে রান্নার তেল মশলা থেকে আটা নুডলস হয়ে মেলে আয়ুর্বেদিক দাওয়াই। তাই ডিসকভারি জিতের চ্যানেল তাঁকে কেবল যোগ গুরু নয়, বিজনেস গুরু হিসেবেও চিহ্নিত করেছে। কিন্তু দু’আঙুলের চুটকিতে একদিনে নিজেকে পরিচয় করাতে পারেননি হরিয়ানার সন্তান রামকৃষ্ণ। তিল তিল করে নিজেকে তৈরি করে লক্ষ্যে অবিচল থেকে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। নিজের দূরারোগ্য ব্যধিকে যোগ সাধনায় দূর করে ভারতে এই মুহূর্তে রামদেব স্রেফ নিজে নয়, লক্ষ মানুষের সুস্থ সবল থাকার সেরা মডেল। আর সেই ব্যক্তিত্বকে নিয়েই সোম থেকে শুক্র রাত সাড়ে আটটায় শুরু হচ্ছে সিরিয়াল ‘স্বামী রামদেব, এক সংঘর্ষ।’

প্রথমে ঠিক হয়েছিল এক ঘণ্টার একটি টিভি শো তৈরি করবে ডিসকভারি জিত। কিন্তু রামদেবের সঙ্গে কথা বলে, তাঁর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায়, এত স্বল্প সময়ের পরিসরে রামদেবকে ধরা যায় না। ডিসকভারি কমিউনিকেশন ইন্ডিয়ার দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট করণ বাজাজ তাই তাঁর ক্রিয়েটিভ টিমকে বলেন, এক ঘণ্টা নয়, রামদেবকে নিয়ে সিরিয়াল হোক। সেই মতো অজয় দেবগণ ফিল্মস অ্যান্ড ওয়াটারগেট প্রোডাকশনের প্রযোজনায় সোম থেকে শুক্র এই সিরিয়ালে চলবে ৮৫ পর্ব। যেখানে রামদেবের ছোটবেলা থেকে আজকের যোগগুরু হয়ে ওঠার প্রতিটি পর্বে থাকবে টানটান চিত্রনাট্যের বুনন। ফেসবুক আর ইউটিউবে স্রেফ ট্রেলারেই এই সিরিয়াল হিট করেছে আড়াই কোটির বেশি দর্শক। সোমবার থেকে সিরিয়ালটি শুরু হলে কী হবে তা আন্দাজ করা কি খুব কঠিন?

নিজের জীবন নিয়ে তৈরি এই সিরিয়াল প্রসঙ্গে খোদ স্বামী রামদেব কী বলছেন? দিন কয়েক আগে নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের পাশাপাশি ছত্রশাল স্টেডিয়ামে গত শনিবার সিরিয়ালের সাংবাদিক সম্মেলন এবং মেগা প্রিমিয়ারে হাজির ছিলেন রামদেব। পর্দায় নিজেকে সিরিয়ালের প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখে রামদেব চমকে গিয়েছেন। তাঁর ছোটবেলার চরিত্রে অভিয়ন করেছেন নমন জৈন। আর পূর্ণ বয়স্ক রামদেবের ভূমিকায় ক্রান্তি প্রকাশ।

রামদেব বললেন, ‘‘ডিসকভারি জিত যেভাবে আমার জীবন নিয়ে সিরিয়াল করছে তাতে আমি কৃতজ্ঞ। গোড়ায় আমি রাজি ছিলাম না। নিজের কথা প্রচার করার মানসিকতা আমার নেই। কিন্তু পরে সমাজের জন্য চ্যানেলের সৎ উদ্দেশ্য আমাকে আকৃষ্ট করে।’’ বললেন, ‘‘ডিসকভারি জিতের অন্যতম মূল মন্ত্র হল ‘হ্যায় মুমকিন’। অর্থাৎ অসাধ্য সাধন সম্ভব। তাই আমার জীবনের লড়াই, নিজেকে আজ এই অবস্থায় প্রতিষ্ঠা করার কাহিনি সম্প্রচারে রাজি হই।’’ যোগগুরু বলেন, ‘‘আমার জীবন মোটেই সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মানো কোনও সন্তানের মতো নয়। আমার অন্তরের প্রতিজ্ঞাই হল, কোনও কিছুতে হার মানব না। কোনও কিছুতে পিছু হটব না। জীবনে যে চ্যালেঞ্জই আসুক, তা মোকাবিলা করবো। তাই সামনে যত বাধাই আসুক, লক্ষ্যে অবিচল থেকে কেউ যদি এগিয়ে যায় তাহলে কেউ তার সাফল্য রুখতে পারে না।’’

বাবরি মসজিদ সরিয়ে দেবার প্রস্তাব দিয়ে এআইএমপিএলবি থেকে বহিস্কৃত সলমন নাদভী

Babri Masjid soriye deowar prostabঅযোধ্যা থেকে বাবরি মসজিদ সরানোর পরামর্শ দিয়ে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি) থেকে বহিষ্কৃত হলেন এগজিকিউটিভ সদস্য সলমন নাদভি। জানা গিয়েছে, সংগঠনের বিরুদ্ধে যাওয়ার কারণেই বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ গড়ার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়েছে, এই মর্মে রবিবার অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এআইএমপিএলবি’র সদস্য কাসিম ইলিয়াস বলেন, ‘‘কমিটি জানিয়েছে, মসজিদ গড়ার বিষয়ে এআইএমপিএলবি-র পুরনো অবস্থানের কোনও পরিবর্তন হয়নি। কারণ মুসলিম ল বোর্ড বিশ্বাস করে মসজিদ একবার নির্মাণ হলে তাকে আর সরানো যায় না। সলমন নাদভি এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে যাওয়ায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’’ গত বৃহস্পতিবার একটি অডিও-ভিডিও ক্লিপে মৌলানা নাদভি মসজিদের স্থান বদলের কথা বলেন।