হিলি সীমান্তে রমরমিয়ে চলছে গরু পাচার

ঠান্ডার মরশুম শুরু হতেই হিলি সীমান্তে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে গোরু পাচার। কুয়াশা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে বাংলাদেশে গোরু পাচার। অভিযোগ কার্যত পুলিশ ও বিএসএফের মদতেই এই পাচার চলছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তিন দিকে রয়েছে বাংলাদেশ। জেলায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ২৫২ কিলোমিটার রয়েছে। তার মধ্যে এখনও ৩২ কিলোমিটার উন্মুক্ত রয়েছে। নেই কোনও কাঁটাতার। এই এলাকা দিয়ে সব থেকে বেশি পাচার হয় বলে অভিযোগ।
শীতের মরশুমে কুয়াশায় অন্ধকার ঘন হওয়ায় ফের গোরু পাচারের করিডর হয়ে ওঠেছে হিলি সীমান্ত। বেশকিছু দিন ধরে রমরমা ভাবে চলছে গোরু পাচার। হাট থেকে গোরু ক্রয় করে সেগুলি তিওড় ডাঙ্গি এলাকায় রাখার পর ত্রিমোহিনী দিয়ে চক গোপাল, ডুমরণ, গোবিন্দপুর, জামালপুর সীমান্ত দিয়ে পাচার হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর। পাচার চক্রের মাথা রয়েছে রাজনৈতিক দলের দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী ব্যক্তিরা। এদিকে প্রশ্ন ওঠেছে কার মদতে এমন কারবার চলছে ? তবে কি পুলিশ বিএসএফের মদত রয়েছে ? আবার কেউ কেউ দাবি করছে মদত ছাড়া এমন কাজ করার সাহস পাবে কি করে ?
কেটে গিয়েছে চার দশকেরও বেশি সময়। দেশ এখন ডিজিটালের শিখরে। উন্নত হয়েছে সামরিক ব্যবস্থা। কিন্তু যেন সেই খোলা সীমান্ত, অবৈধ মালপত্রের পাচার এখনও গ্রাস করে রেখেছে হিলি সীমান্ত ব্যবস্থাকে। দিনে স্টোরিং রাতে পাচার এ যেন হিলির নিত্যসঙ্গী। পাচার কাজের সঙ্গে জড়িত স্কুল পড়ুয়ারাও। রুটিরুজি জোগাড়ে হিলিতে কৃষিকাজের বিকল্প নেই কোনও কর্মসংস্থান বলে অভিযোগ পাচারকারীদের।
এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানান, অনুপ্রবেশকারী সমাজবিরোধীরা গোরু পাচার করে বিষিয়ে তুলেছে। রাত হলেই রমরমা গোরু পাচার চালু হয়। প্রতিবাদ করতে গেলে আক্রান্ত হতে হয় মানুষ’কে। প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও লাভ হয়নি। পাচারকারীরা এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে। কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত প্রশাসনের বলে জানান তিনি।
প্রশাসনের তরফ থেকে পুরো বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলা হয়।
Advertisements

হিন্দু পরিচয়ে ৪টি বিয়ে, আরও ৩টি বিয়ে করার আগে দিঘা থেকে গ্রেপ্তার শেখ মুজিবর রহমান

mujiborসেক্স-জিহাদের এক নতুন রূপ দেখা গেলো কলকাতার একটি ঘটনায়। হিন্দু নাম ও পরিচয় নিয়ে একের পর এক বিয়ে করে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যেত শেখ মুজিবর রহমান। এইরকম করে একটা-দুটো নয়, পর পর চারটি বিয়ে করেছিল সে। কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই মেয়ের বাড়ির লোক আধার কার্ড বা পরিচয় পত্র দেখতে চাননি। আর তাই প্রতারিত হতে হলো মুসলিম যুবকের দ্বারা। আরো তিনটি বিয়ে করার মতলবে ছিল সে। কিন্তু তার আগেই দিঘা থেকে গ্রেপ্তার করলো কলকাতার সরশুনা থানার পুলিস। পুলিসের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, ওই মুসলিম যুবকের আসল বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্তর্গত দেওয়ানদিঘি। তার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। সে নিজেকে অভিজিৎ মন্ডল বলে পরিচয় দিতো। কিন্তু আধার কার্ড-এ তার নাম রয়েছে শেখ মুজিবর রহমান। এমনকি বিয়ে করার জন্যে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতো। নিজেকে সিআরপিএফ-এর জওয়ান বলে পরিচয় দিতো। একই ভাবে মাস তিনেক আগে বেহালার সরশুনার বাসিন্দা এক হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে শেখ মুজিবর রহমান। কিন্তু কয়েক মাস পরেই সে বেপাত্তা হয়ে যায়। সেই তরুণী প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন সরশুনা থানায়। তার পরেই তদন্তে নেমে গত ৩রা ডিসেম্বর, সোমবার রাত্রে দিঘার হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ মুজিবরকে গ্রেপ্তার করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে তাদের। ঘন ঘন সিমকার্ড বদলানোর ফলে তার নাগাল পাওয়া যাচ্ছিলো না। কিন্তু গ্রেপ্তার করার পর সব শুনে পুলিস অফিসাররাও হতবাক। কিন্তু এইসব করার পিছনে কারণ কি,তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

বাংলাদেশে গত ১১ মাসে ৮৮জন হিন্দু খুন, ৩৪৭ জন আহত এবং ২৯জন ধর্ষিত, রিপোর্ট বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় যে ভালো নেই, তা আর একবার প্রকাশ পেলো বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট প্রকাশিত রিপোর্টে। সংগঠনের মহাসচিব শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক গত ১লা ডিসেম্বর ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি রিপোর্ট পেশ করেন।তিনি বলেন যে এই রিপোর্ট ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত সময়কে ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন এই রিপোর্ট সংগঠনের জেলা এবং উপজিলা ইউনিটের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ওই  রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ঘটে চলা অত্যাচার ও নিপীড়ণের যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা আতঙ্কের। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ১১ মাসে বাংলাদেশের ২৯জন সংখ্যালঘু হিন্দুকে অপহরণ করা হয়েছে,যার মধ্যে শিশু, যুবক-যুবতীও আছে। এছাড়াও ২৯ জন হিন্দু মহিলা ধর্ষণের শিকার হয়েছে মুসলিমদের হাতে, যার মধ্যে ৯জন মহিলা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং ৪জনকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এছাড়াও রিপোর্টে বলা হয়েছে,গত ১১ মাসে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ২,৭৩৪ একর জমি জোর করে দখল করে নেওয়া হয়েছে; ২১৭টি হিন্দু পরিবারকে ভিটে-মাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, ২২৩টি পরিবারকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে তাদেরই প্রতিবেশী মুসলমানরা। এছাড়াও ১০৮ টি হিন্দু পরিবারের ঘর-বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
 হিন্দুদের ধর্মীয়স্থানগুলিও রেহাই পায়নি। গত ১১ মাসে ৩৭৯টি মন্দিরে হামলা চালিয়ে মূর্তি ভাঙচুর হয়েছে এবং ৯টি স্থানে মন্দিরের মূল্যবান মূর্তি চুরি হয়ে গিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলেও, পরে অভিযুক্ত মানসিকভাবে সুস্থ নয়, এই অজুহাতে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে। এই রিপোর্টের সঙ্গে সঙ্গে একটি দাবিপত্রও পেশ করা হয় জাতীয় হিন্দু মহাজোটের পক্ষ থেকে। তিনি সেই সঙ্গে সকল রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত করার আবেদন জানান।

জামাত-ই-ইসলামী বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক, রিপোর্ট মার্কিন কংগ্রেসে

বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের ধাক্কা খেল বিএনপি-জামাত জোট। আমেরিকা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, মৌলবাদী সংগঠন জামাত ইসলামি বাংলাদেশের জন্য সর্বনাশ! জামাত ইসলামি ও ইসলামি ছাত্রশিবিরকে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের জন্য বিপদ বলে মনে করছে মার্কিন কংগ্রেস। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারকে মৌলবাদী সংগঠনগুলিকে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ইন্ডিয়ানা স্টেটের কংগ্রেস সদস্য জিম ব্যাঙ্কস ‘বাংলাদেশে সক্রিয় ধর্মীয় সংগঠনগুলোর বিপদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ’ শীর্ষক এই বিলটি সম্প্রতি হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে উত্থাপন করেন। হাউস রেজ্যুলেশন-১১৫৬ পার্লামেন্টের বিদেশ কমিটিতে রেফার করা হয়েছে। বিলটিতে ইউনাইটেড স্টেট এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএইড) ও মার্কিন বিদেশ দপ্তরকে জামাত ইসলামি ও ইসলামি ছাত্রশিবিরসহ উগ্র মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব গ্রুপের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ও তহবিল দেওয়া বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়। বিলটিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনের সময় বিএনপি, জামাত ইসলামি ও ইসলামি ছাত্রশিবির ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য আতঙ্ক হয়ে ওঠে, যার ফলে ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৯৫টি হিন্দু বাড়ি ধ্বংস করা হয়। ৫৮৫টি দোকানে হামলা ও লুট এবং ১৬৯টি উপাসনালয় ভাঙচুর করা হয়। জামাতের কর্মীরা সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলার সঙ্গেও জড়িত। আগামী ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে, বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয় ওই বিলটিতে। শুধু তাই নয়, বিলটিতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে হতাহতদের কথা এবং বাংলাদেশ যে ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক চেতনার উপর প্রতিষ্ঠিত—তাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মার্কিন কংগ্রেসের বিলটিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় প্রায় ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু, এক কোটির বেশি মানুষের উদ্বাস্তু হওয়া ও দুই লাখ মহিলার ধর্ষিত হওয়ার বিনিময়ে। আর এর অনেক ঘটনা ঘটেছে জামাত ইসলামির নেতৃত্বে ইসলামপন্থী উগ্রবাদীদের হাতে। উগ্র মৌলবাদী সংগঠনগুলো অস্থিতিশীলতা বাংলাদেশে আমেরিকার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ ক্ষুন্ন করছে। ফিলাডেলফিয়ার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক মিডল ইস্ট ফোরাম (এমইএফ) এক বিবৃতিতে এই বিলকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, ‘জামাত ইসলামি একটি বিপজ্জনক ইসলামি গ্রূপ যাদের হিংসার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।’

জামাতের সঙ্গে কোনো আপস নয়,জানালো ভারত

“জামাত ছাড়া, বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলবে নয়াদিল্লি৷ গণতন্ত্রবিরোধী জামাতের সঙ্গে কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয় ভারত।” এমনই জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা৷ তিনি জানান, মূলত তিনটি কারণে জামাতের সঙ্গে কোনও রকমের বোঝাপড়ায় যাবে না ভারত৷ প্রথমত, মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাতের ভূমিকা, দ্বিতীয়ত, তাঁদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং তৃতীয়ত তাদের গণতন্ত্র বিরোধী নীতি-আদর্শ। যেগুলির পুরোপুরি বিরোধী ভারত৷  তিনি আরও জানান, আওয়ামি লিগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টি-সহ সমস্ত দলের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ রয়েছে। ব্যতিক্রম জামাত৷ কারণ, ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ের বিরোধিতা করেছে জামাত। মুক্তিযোদ্ধাদের নির্বিচারে হত্যা করেছে তারা। ওই গণহত্যার শিকার হয়েছেন ভারতীয় সেনারাও। জামাত সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ করেন শ্রিংলা৷ তিনি জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপরও নৃশংস অত্যাচার চালাচ্ছে জামাত সদস্যরা। আসন্ন বাংলাদেশ নির্বাচন সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিও স্পষ্ট করেন তিনি৷

ডালখোলার মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, খাগড়াগড় কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি কি?

dalkholaউত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানার অন্তর্গত ঝাটকিয়া গ্রাম। সেই গ্রামেই রয়েছে জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসা। কিন্তু গত ২৯শে নভেম্বর, গভীর রাত্রে ওই মাদ্রাসায় শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের আওয়াজে পুরো গ্রাম কেঁপে ওঠে। এমনকি মাদ্রাসার দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। মাদ্রাসার ভিতরে চেয়ার,টেবিল ভেঙেচুরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দেওয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ে বিস্ফোরণের তীব্রতায়। বিস্ফোরণের আওয়াজে গ্রামবাসীরা মাদ্রাসা চত্বরে ছুটে আসেন। গ্রামবাসীরা মাদ্রসার মৌলবী জুনেদ আলম রুমানিকে ঘিরে ধরে বিস্ফোরণের কারণ জানতে চান।    কিন্তু আশ্চর্জনকভাবে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ বিস্ফোরণের কথা প্রথমে পুলিসকে জানাননি। সূত্র মারফত এই খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কার্তিকচন্দ্র মন্ডল ঘটনাস্থলে আসেন। তখনই মাদ্রাসা কতৃপক্ষ দাবি করেন যে মাদ্রসায় বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা বোমা ছুঁড়েছে এবং শুক্রবার দুপুরে ডালখোলা থানায় FIR দায়ের করেছেন। কিন্তু ইতিমধ্যেই একটা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে রাতে বিস্ফোরণ হলেও সকালে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ কেন পুলিসকে জানাননি।
তবে এই ঘটনায় খাগড়াগড় কান্ডের কথা মনে করিয়ে দিলো। এমনিতেই খাগড়াগড় কান্ডের পর পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত গোয়েন্দারা। এরমধ্যেই ঝাটকিয়ার এই বিস্ফোরণ অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। মাদ্রাসার ভিতরে বোমা বিস্ফোরণ করলো কারা? কি কারণে এই বোমা বিস্ফোরণ ? রাতে বিস্ফোরণ হলেও, দুপুরে কেন থানায় অভিযোগ জানানো হলো ?যদিও এইসব প্রশ্নের উত্তর একমাত্র তদন্তের পরেই জানা যাবে। তবে এই ঘটনাকে যথেষ্ট গুরত্ব দিয়ে দেখছেন জেলা পুলিসের কর্তারা। ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত পুলিস সুপার ঘটনাস্থল ঘুরে গিয়েছেন এবং নিজের তত্বাবধানে তদন্ত করছেন। তাছাড়া মাদ্রাসার ভিতরে কি কাজকর্ম হতো, তা জানার জন্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছেন পুলিসকর্তারা। তবে এই ঘটনার পর কাউকে আটক বা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়নি।

মুর্শিদাবাদের পাঁচথুপীতে সিংহবাহিনী মন্দিরে ভয়ানক চুরি

singhabahiniমুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার অন্তর্গত পাঁচথুপীর সিংহবাহিনী মন্দিরে ভয়ানক চুরির ঘটনা ঘটলো। আজ সকালে পুরোহিত মন্দিরে এসে দেখতে পান যে মন্দিরের তালা ভাঙা এবং  মূর্তির গায়ে থাকা প্রায় তিন লক্ষ টাকার  সোনার অলংকার  চুরি হয়ে গিয়েছে। তিনি এই ঘটনার কথা স্থানীয় বাসিন্দাদের জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মন্দিরের সামনে ভিড় জমান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে , এই মন্দির আশেপাশের এলাকাতে জাগ্রত মন্দির হিসেবেই পরিচিত। ফলে এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা  ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বড়ঞা থানার পুলিস এসে পৌঁছায়। স্থানীয় মানুষরা পুলিসের কাছে দোষীদেরকে  করার আবেদন জানান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে  এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

তিনদফা দাবিতে হাওড়ার উলুবেড়িয়াতে বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

uluberiya-rally1গতকাল ২৯শে নভেম্বর, হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়াতে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়ন এবং বাধ্যতামূলক  জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন-এই তিনদফা দাবিতে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করা  সংহতির উদ্যোগে। এই মিছিলে উলুবেড়িয়া এবং আশেপাশের এলাকা থেকে কয়েক হাজার হিন্দু সংহতি কর্মী যোগ দেন। এছাড়াও, প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ মিছিলে পা মেলান। মিছিল গঙ্গারামপুর মোড় থেকে শুরু হয়ে শহর পরিক্রমা করে।  মিছিলের শেষে একটি ছোট পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই পথসভাতে বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়।  শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় তার বক্তব্যে বলেন, ”আজ সমস্ত রাজনৈতিক সংকীর্ণতা ভুলে সমস্ত হিন্দুকে আজ জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি তুলতে হবে। তা নাহলে এই পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে মুসলিম জনসংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, একদিন হিন্দুরাই এই পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।তখন এই হিন্দুকে ভিটে-মাটি ত্যাগ করে বিহার, ঝাড়খন্ড কিংবা উড়িষ্যায় আশ্রয় খুঁজেতে হবে,  বাংলাদেশের হিন্দুরা অত্যাচারের শিকার হয়ে এদেশে  নিয়েছেন।” তিনি আরো বলেন যে আগামী দিনগুলিতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই আন্দোলন চলতে থাকবে, যতদিন না সরকার এই তিনদফা মেনে না নেয়।  এছাড়াও এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে, সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক ব্যানার্জি এবং সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে। পরে হিন্দু সংহতির তরফ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের অফিসে যান এবং তিনদফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি মহকুমা শাসকের হাতে তুলে দেন।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জ-এর নাবালিকা সুমিতা মন্ডল উদ্ধার

Photo2গত ১৯শে নভেম্বর  উত্তর ২৪  জেলার অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল লাভ জিহাদের শিকার হয়ে মতিউর সরদার-এর সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলো। সুমিতার পিতা তারপরের দিনই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় FIR দায়ের করেছিলেন অভিযুক্ত মতিউর-এর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো ভরসা না পেয়ে তিনি গত ২৬শে নভেম্বর  হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায়। তারপরেই সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্যে  হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার ফলে গতকাল অর্থাৎ ২৭শে নভেম্বর রাত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস সুমিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এতে সুমিতার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করায় হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতেও লাভ জিহাদের শিকার হওয়া হিন্দু মেয়েদেরকে  উদ্ধার করার কাজে হিন্দু সংহতি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি জানান।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

অযোধ্যায় ২২১ মিটার শ্রী রাম-এর মূর্তি তৈরির ঘোষণা করলেন যোগী আদিত্যনাথ

lord-ram.jpegঅযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে এখন গোটা দেশে হইচই শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে অযোধ্যায় ২২১ মিটার উঁচু রামচন্দ্রের ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরির কথা ঘোষণা করে বড়সড় চমক দিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার। এটিই হবে বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি। গত ২৪শে নভেম্বর, শনিবার সন্ধ্যায় যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান উত্তরপ্রদেশের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (তথ্য) অবনীশ অবস্থি। তিনি বলেন, মূল মূর্তিটির উচ্চতা হবে ১৫১ মিটার। কিন্তু রামচন্দ্রের মূর্তির মাথার উপর যে ছাতা থাকবে তার দৈর্ঘ্য হবে ২০ মিটার। এছাড়া নীচে বেদীর উচ্চতা হবে ৫০ মিটার। সেখানে একটি জাদুঘর তৈরি করা হবে। প্রায় ১০০ এক জমির উপর জমির উপর তৈরি হবে এই রামমূর্তি। পাশাপাশি সরযূ নদীর তীরও সাজিয়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে পাঁচটি সংস্থাকে বাছা হয়েছে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সামনে প্রেজেন্টেশনও দিয়েছে তারা। মূর্তি বসানোর জন্য মাটির পরীক্ষাও করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর গুজরাতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তে এটিই বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি।

দুর্গাপুরে ২ হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ, ২ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার

গত ২৩শে নভেম্বর, শুক্রবার দুর্গাপুরের দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে ২ মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতদের নাম মহম্মদ হোসেন এবং মুর্তাজা আনসারী। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই নাবালিকা দুর্গাপুরের বাসিন্দা এবং তারা বিধাননগরের একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়তো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার বাসিন্দা মহম্মদ হোসেন বিধাননগরের টেটিখোলায় একটি নাচের স্কুল চালায়। সেই স্কুলেই নাচ শিখতো ওই ২ নাবালিকা। গত ১২ই নভেম্বর, কলকাতায় একটি নাচের প্রতিযোগিতায় নিয়ে যাবার নাম করে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে যায় মহম্মদ হোসেন। কিন্তু  কলকাতায় না নিয়ে গিয়ে বাসে করে সিউড়ি নিয়ে যায় এবং  সেখানে তাদের মুর্তজা আনসারীর বাড়িতে আটকে রাখে। এর মধ্যে এক কিশোরী গত ১৫ই নভেম্বর থেকে পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে আসে এবং পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা বলে। এদিকে দুই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পরিবারের তরফে নিউ টাউনশিপ থানায় জানানো হয়েছিল। পরে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে মুর্তাজা আনসারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান যে, ধৃতদের সঙ্গে নারী পাচারকারীদের যোগাযোগ থাকতে পারে এবং  পাচার করার উদ্দেশ্যে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে  যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে বলে পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।

তাসের সর্দারের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেলেও অসীমা প্রামানিকের পরিবার বঞ্চিত

গত  ২৩শে অক্টোবর, মঙ্গলবার  হাওড়ার সাঁতরাগাছি স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান পেশায় রাজমিস্ত্রি তাসের সর্দার। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার নশীপুর গ্রামে।এই মৃত্যুর পর রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি।কিন্তু তার মৃত্যুর ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই রাজ্য সরকার ৫লক্ষ টাকা তার পরিবারকে সাহায্য করলো এবং টাকা তার একাউন্ট  এ পৌঁছে গেল।খুব ভালো ।
কিন্তু তার আগে  গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার বারুইপুরের স্টেশনে ওভাররব্রিজের সিমেন্টের স্ল্যাব ভেঙে পড়ে মারা যান অসীমা প্রামানিক। এক্ষেত্রেও রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তিনি 2 নং প্লাটফর্ম এর তলা দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন।তার বাড়ি মাদারহাটের নায়েবের মোড়। তার বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন এলাকার MLA এবং বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়।কিন্তু সেই ঘটনার পর প্রায় ২মাস কেটে গেল।এখনো পর্যন্ত ১টাকাও ক্ষতিপূরণ পৌঁছায়নি রাজ্য সরকারের তরফে ।
কিন্তু তাসের সর্দার কে দিলেও, কেন অসীমা প্রামানিকের পরিবার ৫লক্ষ টাকা দেয়নি রাজ্য সরকার? কেন?কেন?অসীমা প্রামানিক হিন্দু বলে?নাকি অসীমা প্রামানিকরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এই রাজ্যে? 

গাইঘাটায় গরু-সহ ২ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

বেশকিছুদিন বন্ধ থাকার আবার নতুন করে গরু পাচার শুরু হয়েছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায়। বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনই খবর আসছিলো। এবার তার প্রমান মিললো। গত মঙ্গলবার, ২০শে নভেম্বর সন্ধ্যায় এই জেলার গাইঘাটার আংরাইল সীমান্তে গরুবোঝাই গাড়িসহ ২  গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ। ওই দুজন পাচারকারী হলো মনিরুল মন্ডল এবং হাবিবুল্লাহ মিস্ত্রী। পরে তাদেরকে পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত দুজন পাচারকারীর বাড়ি একই জেলার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত কীর্তিপুরে। তাদের কাছ থেকে ৫টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটিও।