উত্তর দিনাজপুরের রাড়িয়া গ্রামের বাৎসরিক ধর্মসভায় আমন্ত্রিত তপন ঘোষ

উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত রায়গঞ্জের  রাড়িয়া  গ্রামে গতকাল ২১শে এপ্রিল, শনিবার গ্রামের বাৎসরিক পূজা উপলক্ষে এক বিরাট হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।তবে এবারের অনুষ্ঠান অন্য বছরের তুলনায় সম্পূর্ণরকম আলাদা ছিল। কারণ এই বছর অনুষ্ঠানের সর্বাগ্রে সমস্ত দায়িত্ব মাথায় তুলে নিয়েছিল হিন্দু সংহতির তরুণ-যুবকেরা। আর তাদের প্রচেষ্টায় এই বছরের অনুষ্ঠান অনেক বিরাট আকারে পালিত হলো।  আর সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে মুখ্য উপদেষ্টা শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উত্তরবঙ্গের পর্যবেক্ষক শ্রী পীযুষ মন্ডল এবং হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী তুষার সরকার। রাড়িয়া গ্রামে  শ্রী তপন ঘোষ মহাশয় আসবেন-এই খবর ঘিরে এলাকার জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল। প্রধান রাস্তা থেকে কয়েক হাজার হিন্দু জনসাধারণ মিছিল করে, ঢাক বাজিয়ে, জয় মা কালী জিন্দাবাদ,হিন্দু সংহতি জিন্দাবাদ, তপন ঘোষ জিন্দাবাদ শ্লোগান দিতে দিতে শ্রী ঘোষকে সভাস্থলে নিয়ে যায়। সেখানে তপন ঘোষ হিন্দু জনসাধারণের উদ্দেশে তার মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন যে, ”মাটি রক্ষার জন্যে শুধু লড়াই করে যেতে হবে। আর এটাই হলো হিন্দু সংহতির মন্ত্র। যুবকেরা তোমরা মনে রেখো, লড়াই করতে করতে মাথা কেটে যাবে, তবুও যেন তোমাদের পা পিছিয়ে না আসে”। এছাড়াও তিনি উপস্থিত হিন্দু জনতার উদ্দেশ্যে বলেন যে, ওরা মুসলিমদের জন্যে দেশভাগ করে নিয়েছে,তবুও কেন এদেশে জায়গার নাম ইসলামপুর থাকবে? প্রসঙ্গত গত বছর বকরি ঈদের সময় গরুর মাংস ফেলাকে কেন্দ্র করে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে রায়গঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকায়। সেই হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় এই  রাড়িয়া গ্রামের হিন্দু যুবক তোতন দাস শহীদ হন। সেই সময়  রাড়িয়া গ্রামের হিন্দুদের পাশে হিন্দু সংহতি দাঁড়িয়ে থেকে সর্বতোভাবে সাহায্য করেছিল।

Advertisements

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা, এই দেশেই সক্রিয় একাধিক চক্র

ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মায়ানামারের রোহিঙ্গা মুসলিমরা  ভারতে প্রবেশ করছে। গত বৃহস্পতিবার গুয়াহাটির একটি বাস থেকে ১৮ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী এইসব রোহিঙ্গাদের মধ্যে অন্তত পাঁচজনের কাছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থার দেওয়া পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ধৃতরা দিল্লি যেতে চাইছিল। এসব রোহিঙ্গাকে খোয়াই জেলার তেলিয়ামুরা থেকে আটক করে ত্রিপুরা পুলিস। ধৃতদের মধ্যে ১১ পুরুষ, তিন মহিলা ও চার শিশু রয়েছে। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ত্রিপুরা পুলিস জানিয়েছে, ধৃত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাস করত। অন্য অনেক রোহিঙ্গাদের মতো তারাও ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার সোনামুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে।
জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত রোহিঙ্গারা তাদের দেশ ছেড়ে পালানোর তথ্য দিয়েছে। আটক করা তিন রোহিঙ্গা পুরুষের সঙ্গে এজেন্টরা যোগাযোগ করে। প্রথমে তাদের মালয়েশিয়ায় কাজের প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। তিন দিন তারা সেখানে ছিল। পরিবারসহ মালয়েশিয়া যেতে এজেন্টকে তারা প্রায় ২২ লাখ কিয়াট (মায়ানমারের মুদ্রা) দেয়। বাংলাদেশ থেকে তারা সোনামুরা সীমান্ত দিয়ে ভারত প্রবেশ করে।গত বছরের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। একই সময়ে ভারতে আগে থেকেই বসবাস রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করার উদ্যোগ নেয় কেন্দ্র। গত বছরের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজিজু রোহিঙ্গাসহ বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দিতে সব রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানান। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সেখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে আপাতত আটকে রয়েছে ওই প্রক্রিয়া। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং উত্তর পূর্ব রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে দিয়ে জানান, এইসব রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে নতুন করে রোহিঙ্গারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করতে পারে। মানবপাচারকারীরা ভারত-বাংলাদেশ ও ভারত-মায়ানমার সীমান্ত ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের ভারতসহ অন্য দেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। ত্রিপুরায় রোহিঙ্গা আটকের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত ১৪ জানুয়ারি উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর রেল স্টেশন থেকে ৬ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। গত বছরের ২৯ নভেম্বর পশ্চিম ত্রিপুরার খয়েরপুর মার্কেট এলাকা থেকে  আটক করা হয় আরও ৮ রোহিঙ্গাকে।

নন্দকুমারে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে কালী মাখালো দুষ্কৃতিরা, চাঞ্চল্য এলাকায়

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত নন্দকুমারের কল্যাণচক হাই স্কুল মোড়ে স্বামী বিবেকানন্দের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে কালি ঘষে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। জানা গিয়েছে, গত ১৮ই এপ্রিল রাতের অন্ধকারে কে বা কারা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে কালি মাখিয়ে দেয়। এদিন সকালে এই ঘটনার খবর জানাজানি হওয়ার পর পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারাও নড়েচড়ে বসেন। গত ১৯শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিডিও মহম্মদ আবু তৈয়বের উদ্যোগে কালি তুলে নতুন করে মূর্তি রং করা হয়। তবে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানার জন্য পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে।
বিডিও মহম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, খবর পাওয়ার পরই দ্রুত স্বামীজির মূর্তিতে লেগে থাকা কালি তুলে নতুন রং করা হয়েছে। এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খোঁজে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে।

রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি সংখ্যালঘু তকমা পাওয়ার যোগ্য কিনা -খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট

রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক নিয়োগের অধিকার কার হাতে থাকবে –মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি নাকি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন – সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্নের মীমাংসা হল না বৃহস্পতিবারেও৷ এই প্রশ্নের মীমাংসার আগে শীর্ষ আদালত বিচার করে দেখবে , রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি সংখ্যালঘু তকমা পাওয়ার যোগ্য কিনা৷ আগামী মঙ্গলবার থেকে এই প্রশ্নের উত্তর -সন্ধানে শুরু হবে শীর্ষ আদালতে শুনানি৷ গত ১৯শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের বেঞ্চ৷ মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের অধিকার নিয়ে মামলার শুনানিতে রাজ্যের একটি মাদ্রাসার তরফে জানানো হয় , ২০০৭ সালে রাজ্যের সব ক’টি মাদ্রাসাকে ‘সংখ্যালঘু’ শ্রেণিভুক্ত বিদ্যালয়ের তকমা দিয়ে বিজ্ঞন্তি প্রকাশ করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার৷ সেই বিজ্ঞন্তি চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে কয়েকটি মাদ্রাসা৷ রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের অধিকার মাদ্রাসা পরিচালন সমিতির হাতে না দিয়ে পরে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের হাতে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়৷ কাঁথি রহমানিয়া  মাদ্রাসার তরফে আইনজীবী আবু সোহেল আবার দাবি করেন , সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের অধিকার রাজ্য সরকারের নেই৷ এর পরেই বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত স্থির করেন, রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি ‘সংখ্যালঘু’ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য কিনা , তা আগে স্থির করবে আদালত৷ ৷ এর গত গত এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিলো যে রাজ্যের মাদ্রাসাগুলোতে কি পড়ানো হয়। এমনকি বিচাপতিরা এই মন্তব্য করেছিল যে রাজ্য সরকার যেহেতু টাকা দেয়, তাই শিক্ষক নিয়োগের অধিকারও তাদের থাকা উচিত।

দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তিতে ভাঙচুর চালালো দুষ্কৃতীরা

সম্প্রীতির বাংলার মুকুটে নতুন পালক যোগ হলো। গত ১৭ই এপ্রিল,মঙ্গলবার রাতে কিছু দুষ্কৃতি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত কুমারগঞ্জের জাকিরপুরের  হাটখোলায়। স্থানীয়রা মূর্তি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পায় পরের দিন অর্থাৎ ১৮ই এপ্রিল, বুধবার সকালে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে ওই গ্রামে গত ১লা বৈশাখ থেকে হরিনাম চলছে। ঘটনার আগেরদিন রাতে সবাই যে যার বাড়ি চলে যাওয়াতে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতিরা কয়েকটি মূর্তিতে ভাঙচুর চালায়। তার পূজার ঘট ও ঠাকুরের গলায় থাকা ফুলের মালা দূরে ছিঁড়ে ফেলে দেয় এবং পূজার অন্যান্য সামগ্রী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরেরদিন সকালে স্থানীয়রা এই ঘটনা দেখতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কুমারগঞ্জ থানার ওসি পার্থ ঝা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে পুলিশ স্থানীয় হিন্দুদের বাধ্য করে ভাঙা মূর্তি বিসর্জন দিতে। এলাকার হিন্দু জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ থাকায় হাটখোলা এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

হিন্দু সংহতির সমুদ্রগড় শাখার মা কালীর আরাধনায় আমন্ত্রিত সংহতি সভাপতি

গতকাল ১৭ই এপ্রিল,মঙ্গলবার হিন্দু সংহতির বর্ধমান জেলার সমুদ্রগড় শাখার উদ্যোগে শক্তির দেবী মা কালীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় এবং হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়। এছাড়া কালীপূজা উপলক্ষই যজ্ঞ  অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়া এই অনুষ্ঠানের মণ্ডপে শিয়ালদহ স্টেশনের নাম শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রেল ট্যার্মিনাস করার যে দাবি হিন্দু সংহতি জানিয়ে আসছে, তা নিয়ে একটি ফ্লেক্স দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে সমুদ্রগড় ছাড়াও আশেপাশের নাদনঘাট এলাকা থেকে বিশালসংখক হিন্দু জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

গঙ্গারামপুরে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার আব্দুল কাদের

এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আব্দুল কাদেরকে(২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল ১৭ই এপ্রিল, মঙ্গলবার তাকে আদালতে তুলেছে পুলিশ। গত ১৬ই এপ্রিল, সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত গঙ্গারামপুর থানার প্রাণসাগরের বাসুরিয়া এলাকায়। নির্যাতিতা যুবতীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বর্তমানে গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা কিশোরী স্থানীয় হাই স্কুলে দশম শ্রেণির ছাত্রী। নির্যাতিতা যুবতী সোমবার বিকেলে মামার বাড়ি থেকে বাড়ি ফেরার সময় অভিযুক্ত আব্দুল কাদের তার পথ আটকায়। নির্যাতিতা কিশোরী ও অভিযুক্ত পরিচিত ছিল। ফলে ওই কিশোরী দাঁড়ায়। এর পর তাকে ফু্ঁসলিয়ে অভিযুক্ত যুবক ওই কিশোরীকে পাশের ব্রীজের নীচে নিয়ে যায়। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত যুবক। সন্ধ্যায় বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। স্থানীয়রা লক্ষ করেন যে ওই কিশোরী সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার জ্ঞান ফিরলে অভিযুক্তের নাম বলে সে। এর পর পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা কিশোরীর পরিবার। রাতেই অভিযুক্ত আব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে নির্যাতিতার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। এদিকে এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন  রয়েছে পুলিশ।
এবিষয়ে নির্যাতিতার মা জানান, গতকাল তার মেয়ে মামার বাড়ি থেকে আসার পথে তার মেকে ব্রীজের নীচে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অন্য দিকে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হবে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ত্রিপুরার ধর্মনগরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫ মুসলিম যুবক

tripuraগত ১৫ই এপ্রিল, রবিবার সন্ধ্যায় ত্রিপুরার ধর্মনগরের আকন-বাকোন এলাকায় ৫ মুসলিম যুবক মিলে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করলো। কিন্তু বাজারি মিডিয়ার চক্রান্তে ভারতের সাধারণ জনগণ এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর জানতে পারলো না। ঐদিন সন্ধ্যায় ১৬ বছরের ওই নাবালিকা টিউশন পড়া শেষ করে বাড়ি ফিরছিলো। সেই সময় ওই পাঁচ মুসলিম যুবক মেয়েটিকে অপহরণ করে কিছু দূরের পরিত্যক্ত জেল কোয়ার্টার-এর ভিতরে নিয়ে যায় এবং তারপর তাকে সবাই মিলে ধর্ষণ করে।  সকালে স্থানীয়রা ঘটনার খবর পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে এবং মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠায়। পরে ধর্মনগরের মহিলা থানার পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেস দায়ের করে যার নম্বর-৮/২০১৮। পুলিশ অভিযুক্ত মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৬(A), ৫১১, ৩৭৬, ৩৪১ ধারায় মামলা রুজু করেছে। সেই পাঁচ অভিযুক্ত হলো মহম্মদ মুস্তাফা আহমেদ, অমর হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন, মহম্মদ কলিম উদ্দিন এবং মনা  মিয়াঁ। এছাড়াও পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৩টি চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। (ছবি সৌজন্য: TripuraInfoway )

রোহিঙ্গা ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর জন্যে কাঠুয়া ধর্ষণ নিয়ে হৈচৈ, দাবি জম্মু বার এসোসিয়েশনের

জম্মুতে অবৈধভাবে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের দিক থেকে নজর ঘোরাতে এবং তাদের সুবিধা করে দিতেই কাঠুয়া ধর্ষণ কান্ড নিয়ে এতো হৈচৈ চলছে। এরকমই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জম্মু বার এসোসিয়েশনের সদস্য সুরিন্দর কৌর। তিনি আরো বলেন যে ”আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যে জম্মু থেকে অবৈধ রোহিঙ্গাদের শিবির সরানো হোক এবং এ বিষয়ে উপজাতি মন্ত্রক তাদের অবস্থান স্পষ্ট করুক। কিন্তু তা না করে কাঠুয়া কান্ড দিয়ে আমাদের দাবিকে ধামাচাপা দিয়ে দেওয়া হলো। তিনি আরো বলেন, ”আমরা চেয়েছিলাম যে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হোক। বারংবার বলা সত্বেও আমাদের কথা শোনা হয়নি। এর পাশাপাশি নাবালিকা হত্যার তদন্তে আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছি। রোহিঙ্গারা যে একটা বড়ো সমস্যা তা উল্লেখ করে বার এসোসিয়েশনের সদস্য গগন বাসত্ৰা বলেন যে, ”এখন রোহিঙ্গাদের হাতে আধার কার্ড চলে এসেছে। ফলে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত। যখন রোহিঙ্গারা শিবিরে এসেছিলো, তখন তাদের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার। কিন্তু এই সংখ্যাটা ইতিমধ্যে ২২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে।

দিল্লির রোহিঙ্গা বস্তিতে আগুন, পুড়ে ছাই ৫০টি ঘর

গত ১৫ই এপ্রিল, রবিবার দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির সরিতা বিহারে রোহিঙ্গাদের বস্তিতে আগুন লাগে। এই আগুনে প্রায় ৫০টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দিল্লির দমকল বিভাগ জানিয়েছে যে তারা প্রায় ভোর ৩টার  সময় আগুন লাগার খবর পায়। পরে দমকলের ১১টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গেলেও ঘরগুলিকে বাঁচানো যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে যে আগুন লাগার কোন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে রোহিঙ্গাদের বস্তির পাশেই ত্রাণ সরবরাহের একটি অফিস রয়েছে। সেখানেই প্রথমে আগুন লাগে এবং পরে তা সারা বস্তিতে ছড়িয়ে পড়ে।

হিলি সীমান্তে ১৬লক্ষ বাংলাদেশী টাকা উদ্ধার করল বিএসএফ

গত ১৫ই এপ্রিল, রবিবার গভীর রাতে হিলির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উজাল থেকে বাংলাদেশি ১৬ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে বিএসএফের ১৯৯ নম্বর ব্যাটেলিয়ন। বিএসএফ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া টাকার ভারতীয় মূল্য ১২ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি ৪০ হাজার টাকার জামা প্যান্ট উদ্ধার হয়েছে। রবিবার গভীর রাতে উজাল সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের পাচারকারীরা বাংলাদেশের টাকাগুলি নিজেদের মধ্যে আদান প্রদান করছিল। সেসময় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিএসএফ হানা দিতেই পাচারকারী টাকা ও জামা কাপড় ফেলে পালিয়ে যায়। হিলি থানার পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।

বর্ধমানের আলমপুরে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫

গত ১৫ই এপ্রিল, রবিবার রাতে বর্ধমান-গুসকরা রোডে আলমপুরে আগ্নেয়াস্ত্র সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিস। ধৃতদের নাম আমির আলি, শেখ আজাদ, মানিক সাহা, পলাশ রাজমল ও শেখ জাহাঙ্গির। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে একটি পাইপগান, এক রাউন্ড গুলি, ভোজালি, হাঁসুয়া ও লাঠি পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিসের দাবি। পুলিস তাদের গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে। রাস্তায় ডাকাতির পরিকল্পনায় তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল বলে পুলিসের অনুমান।গতকাল ১৬ই এপ্রিল, সোমবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিজেএম রতনকুমার গুপ্তা।

বাংলাদেশী হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবার বিরোধিতা করলেন অসমের মন্ত্রী

atul boraবাংলাদেশি হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করলেন অসমে বিজেপি সরকারের শরিক অসম গণ পরিষদ (অগপ) সভাপতি ও অসমের কৃষিমন্ত্রী অতুল বোরা। তাঁর অভিমত, কেন্দ্র বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দুদের এদেশের নাগরিকের স্বীকৃতি দিতে চাইলেও আমরা তা সমর্থন করি না, কেননা তা ১৯৮৫-র ঐতিহাসিক অসম চুক্তি লঙ্ঘন করছে। ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সব বেআইনি বিদেশি অনুপ্রবেশকারীকে অসম থেকে বের করে দিতে হবে, বলেছেন তিনি। বোরার অভিমত, অসমের সমাজ ধর্মনিরপেক্ষ। আমরা কখনই ধর্মীয় পরিচিতির মাপকাঠিতে অবৈধ বিদেশিদের ভাগাভাগি করতে দেব না। অসমের স্বার্থের ক্ষতি হলে প্রয়োজনে রাজ্যে মন্ত্রিপদ ছাড়তেও আমরা দ্বিধা করব না বলে জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, অগপ সবসময়ই রাজ্যবাসীর দাবি, চাহিদার ব্যাপারে সংবেদনশীলতা দেখাবে।বোরা আরও বলেন, অসমে সর্বশেষ আপডেট হওয়া জাতীয় নাগরিক তথ্যপঞ্জিতে যাতে কোনও অবৈধ বিদেশির নাম না অন্তর্ভুক্ত হয়, তা সুনিশ্চিত করবে অগপ।

কুলতলীতে অস্ত্রসহ ৫ বাংলাদেশী জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ

ভারতীয় জলসীমানা পেরিয়ে এখানকারমৎস্যজীবীদের নৌকায় লুঠতরাজ চালাতে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল সশস্ত্র পাঁচ বাংলাদেশি জলদস্যু৷ গত ১৩ই এপ্রিল, শুক্রবার রাত দেড়টা নাগাদ দস্যুদের দলটি নদীপথে হাতের নাগালে চলে এলে সকলকে হাতে নাতে ধরে ফেলে পুলিশ৷ কুলতলির কাছে বিদ্যাধরী নদীর খাঁড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে পাঁচটি একনলা বড় ও একটি ছোট পাইপগান , সাতটি কার্তুজ ও বোমা উদ্ধার হয়েছে৷ পুলিশ জানায় , গত  মার্চে এই দলটিই পিরখালি জঙ্গলের কাছে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াই করে অন্ধকারে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিল৷ গতকাল ১৪ই এপ্রিল,শনিবার বারুইপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের দশ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে লাখো মানুষের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ঢাকায়

গতকাল সকাল থেকেই মানুষের ভিড়ে সরগরম ছিল ঢাকার প্রায় সবকটি প্রধান রাস্তাঘাট। কেউ কেউ আবার ব্যস্ত রাস্তার ধারে আল্পনা আঁকতে। অনেকে হাতে রং-বেরঙের মুখোশ নিয়ে রমনার বটমূলে চলেছেন বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, মুসলিম মৌলবাদীদের হুমকি অগ্রাহ্য করে। প্রসঙ্গত, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হিন্দু সংস্কৃতি – এই অভিযোগ বাংলাদেশের অধিকাংশ মৌলবাদী মুসলিম ধর্মগুরুর।