একাত্তরের গণহত্যার অভিযুক্ত আল-বদর কমান্ডার রিয়াজউদ্দিন ফকিরের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী মদতপুষ্ট ঘাতক বাহিনী আল-বদর সারা বাংলাদেশ জুড়ে হিন্দু গণহত্যা,লুঠপাঠ ও ধর্ষণ চালিয়েছিল। সেইসঙ্গে মুক্তিকামী মুসলিম জনগণের ওপরও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল আল-বদর বাহিনী।  সেই আল-বদর বাহিনীর কমান্ডার রিয়াজউদ্দিন ফকিরকে গতকাল ১০ই মে, বৃহস্পতিবার মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। তার বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়াতে গণহত্যা, খুন, ধর্ষণ-এর মতো গুরুতর অভিযোগ ছিল। সেইসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইবুনালের বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে থাকা তিন বিচারপতির বেঞ্চ আল-বদর কমান্ডার রিয়াজউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। ময়মনসিংহ জেলায় গণহত্যার মামলায় ৫৯ বছর বয়সী রিয়াজুদ্দিন ছাড়াও আর এক অপরাধী আমজাদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে। কিন্তু বিচার চলাকালীন গতবছর আমজাদ আলী অসুস্থ হয়ে মারা যান। বাংলদেশের সংবাদপত্রে  প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজউদ্দিন প্রথমে জামাত-ই -ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামিক ছাত্র সংঘের নেতা ছিলেন। পরে মুক্তি যুদ্ধের সময় গঠিত আল-বদর বাহিনীতে যোগ দেন এবং ময়মনসিংহ জেলার কমান্ডার দায়িত্ব পান। তার নেতৃত্বে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে বাংলাদেশের  ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অংশে গণহত্যা ও ধর্ষণ-এর মতো মানবতাবিরোধী কাজ করেছিলেন। রিয়াজুডিয়ানের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে খুশি বাংলদেশের সাধারণ মানুষজন।

Advertisements

হিন্দু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার বিরোধিতা করছে আসামের মুসলিম সংগঠনগুলি

গুয়াহাটির খানপাড়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্টাফ কলেজ। ভিতরে চলছে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী সংশোধনের কাজ,ঠিক সেই সময় বাইরে তুমুল বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা শ্লোগান দিচ্ছে ঘনঘন। সবার একটি দাবি-”বাংলাদেশী হিন্দুদের নাগরিকত্ব মানছি না। গত ৬ই মে, এইরকম ঘটনার স্বাক্ষী থাকলো গুয়াহাটি। হিন্দু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার বিরোধিতায় বিক্ষোভ দেখালো সংখ্যালঘু ছাত্র সংগঠন, সারা অসম মাদ্রাসা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এবং মুসলিম ছাত্র সংস্থা। তারা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে শ্লোগান দিতে থাকেন ‘নাগরিকত্ব আইন সংশোধন মানব না’, ‘হিন্দু বাংলাদেশী হুঁশিয়ার’। একইসঙ্গে বিক্ষোভ দেখায় সারা অসম বামপন্থী ছাত্র সংগঠন, কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি। আর এই বিক্ষোভের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই আসামের বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

দার্জিলিং-এ পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বস্তি গড়ে উঠছে,অভিযোগ আলুওয়ালিয়ার

পরিকল্পিতভাবে মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে এসে দার্জিলিং-এ থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। গতকাল সাংবাদিকদের সামনে এমন মন্তব্য করেন শিলিগুড়ির এম পি সুরেন্দ্র সিং আলুওয়ালিয়া। তিনি আরো  বলেন যে পাহাড় ও তার আশেপাশের চিকেন নেক অঞ্চল ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে রোহিঙ্গা মুসলিমদের এনে বসলে তা যেমন ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক তেমনি পাহাড়ের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রেও বিপদের কারণ হতে পারে। তিনি এই সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন যে দার্জিলিং-এর ডেলোতে রোহিঙ্গা মুসলিমদের এনে বসানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে প্রায় ৫০টি রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবার এসে বাড়ি করে ফেলেছে। তিনি অভিযোগ  জানান যে, রোহিঙ্গাদেরকে এখানে আনার পিছনে GTA প্রধান বিনয় তামাঙ্গ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হাত রয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন যে সব জেনেও চুপ করে আছেন বিনয় তামাঙ্গ। উল্টে রোহিঙ্গাদের নানরকমভাবে সাহায্য করা হচ্ছে।  আলুওয়ালিয়ার এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতায় ট্যাক্সি থেকে মহিলাদের ওপর অ্যাসিড হামলা,অভিযুক্ত শেখ নূর মমতাজকে খুঁজছে পুলিশ

দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া রোডে গত৬ই মে, রবিবার রাতে ঘটে গেছে আঁতকে ওঠার মতো ঘটনা। চলন্ত ট্যাক্সি থেকে অ্যাসিড ছুঁড়ে পথচারী মহিলাদের  জখম করে পালিয়েছে এক দল দুষ্কৃতিকারী। স্থানীয়রা ট্যাক্সিটিকে তাড়া করলে চালকসহ সবাই ট্যাক্সি ফেলে পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাত ১০টার দিকে পণ্ডিতিয়া রোড দিয়ে যাচ্ছিল ডব্লুবি০৪এফ৭৫৯৩ নম্বরের একটি হলুদ ট্যাক্সি। গাড়িতে ছিল তিন-চারজন যুবক। ডোভার টেরেসের কাছে হঠাৎই ট্যাক্সির জানালা দিয়ে চালক মহিলাদের উপর অ্যাসিড হামলা চালায়। ট্যাক্সিতে চালক ছাড়াও আরও দু’জন ছিল বলে দাবি প্রত্যদর্শীদের। মূলত মহিলাদেরই টার্গেট করা হয়। অ্যাসিড হামলায় ছয় জন জখম হয়েছেন।এদের প্রত্যেকেরই  অ্যাসিড লেগে হাত,মুখের অনেকটা পুড়ে গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানায়, ওই তরুণী চালককে রিকি বলে এক স্থানীয় যুবক হিসেবে শনাক্ত করতে পেরেছেন। এক তদন্তকারী অফিসার জানান, রিকি কালীঘাটের নিষিদ্ধ পল্লীতে থাকে। তার ভালো নাম শেখ নূর মুমতাজ। এর আগেও একবার গোলমাল পাকানোর জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল রিকিকে। রিকির খোঁজ করছে পুলিশ। ট্যাক্সিতে আর কারা ছিল? তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কি কারণে হামলা? তা নিয়ে ধন্দ্বে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে রিকি পালাতক।

পূর্বস্থলীতে মন্দিরের ষাঁড়কে হত্যা,মামলা দায়ের পুলিশের,অভিযুক্ত ফেরার

দেবতার নামে উৎসর্গ করা ষাঁড়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগে মামলা দায়ের করল পূর্বস্থলী থানার পুলিস। বরিবার বিকেলে পূর্বস্থলীর চণ্ডীপুরে ষাঁড় মারার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত ষাঁড়টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কাছাকাছি পশুদের ময়নাতদন্তের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় থানা চত্বরে পশু চিকিৎসক নিয়ে এসে ষাঁড়টির ময়নাতদন্ত করায় পুলিস।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর মেড়তলা পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুর এলাকার শিবমন্দিরে ভক্তরা মানত পূরণের উদ্দেশ্যে একটি ষাঁড় ছেড়ে দিয়ে যান। দেবতার নামে উৎসর্গ ষাঁড়টি বেশ কিছুদিন ধরেই গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ষাঁড়টি গ্রামের মধ্যে কখনও গৃহস্থের গাছপালা ও চাষের জমিতে নেমে ফসলের ক্ষতি করছিল। রবিবার বিকেলে ষাঁড়টি স্থানীয় বাসিন্দা শুকচাঁদ ঘোষের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেই সময় সে একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে ষাঁড়টিকে আঘাত করে। কিছুক্ষণ পরই ষাঁড়টি মারা যায়। পশুটিকে এভাবে মেরে ফেলার ঘটনাটি এলাকার অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। এই ঘটনার পরই এলাকার বাসিন্দারা পুলিসে খবর দেন। পুলিস মৃত ষাঁড়টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করে। এরপরই অভিযুক্ত শুকচাঁদ এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
কালনার এসডিপিও শান্তনু চৌধুরী বলেন, চণ্ডীপুরে একটি ষাঁড়কে মেরে ফেলার ঘটনায় কেস রুজু হয়েছে। পশু চিকিৎসককে ডেকে মৃত ষাঁড়টির পরীক্ষা করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তর খোঁজ চলছে।

উচ্চ শিক্ষিত জঙ্গি মহম্মদ রফি ভাট সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত

vatগত ৬ই মে কাশ্মীরে সেনাবাহিনী বড়ো সাফল্য পেলো। সেনাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় পাঁচজন জিহাদির-যারা সকলেই হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গি। এরমধ্যে সবচেয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী নাম হলো মহম্মদ রফি ভাট। কিন্তু কে এই মহম্মদ রফি ভাট? কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কনট্র্যাকচুয়াল প্রফেসর ছিল মহম্মদ রফি ভাট (৩৩)। সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি ছিল তার। গান্ডেরওয়াল জেলার চুন্দিনার বাসিন্দা সে। কয়েকদিন আগেই জঙ্গি সংগঠনে নাম লিখিয়েছিল ভাট। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর ওই দিনই মাকে শেষবারের মতো ফোন করেছিল সে। বলেছিল, স্বল্প মেয়াদী জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। রবিবার বাবা ফৈয়াজ আহমেদ ভাটকে ফোন করে রফি। তখনই বাবাকে ‘বিদায়’ জানায় সে।
ঠিক কী বলেছিল রফি? পুলিসকে ফৈয়াজ জানিয়েছে, ‘সকালেই ছেলে আমাকে ফোন করে বলে, বাবা আমি যদি তোমাকে কখনও আঘাত দিয়ে থাকি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করো। এটাই আমার শেষ ফোন। কারণ আমি আল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি।’ রিপোর্ট বলছে, জঙ্গি সংগঠনে নাম লেখালেও ছেলে কখনও অস্ত্র তুলে নেবে না বলে পুলিসকে জানিয়েছিলেন ফৈয়াজ। ১৮ বছর বয়সে একবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল ভাট। তখন পুলিস তাকে পাকড়াও করে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই ছেলের উপর কড়া নজর রাখতেন বাবা ফৈয়াজ।
বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর থেকে যে সমস্ত কাশ্মীরি তরুণ জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছে, তাদের বেশিরভাগই অল্প দিনের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে। সেইমতো গতকাল ৬ই মে, রবিবার পুলিসের জালে পড়ে যায় ভাট। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় তার।

 

মুর্শিদাবাদে মাদক ইনজেকশন কারবারি রেজাউল করিম গ্রেপ্তার

মুর্শিদাবাদ থেকে একগুচ্ছ ইঞ্জেকশন বাজেয়াপ্ত করল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। এইসব ইঞ্জেকশন বুপ্রোনরফিন গ্রুপের। যা মাদক হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে জানা যাচ্ছে। হেরোইনের আকাল পড়ায় এই ইঞ্জেকশনের চাহিদা বেড়েছে। গত ৪ঠা মে, শুক্রবার এই ইঞ্জেকশন কাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছেন এনসিবি’র অফিসাররা। আরও একজন ভুয়ো মেডিক্যাল প্র্যাক্টিশনারের খোঁজ চলছে। লাইসেন্স ছাড়াই ওষুধের দোকান খুলে সে এই কারবার চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ। সে কোনও ডিগ্রি ছাড়াই মেডিক্যাল প্র্যাকটিস করে বলে জানা গিয়েছে।
এনসিবি’র কাছে খবর আসে, মুর্শিদাবাদে একটি নির্দিষ্ট ইঞ্জেকশনের চাহিদা ব্যাপকহারে হারে বেড়ে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে তা নিয়ে আসা হচ্ছে। এক-একটি ইঞ্জেকশন বিক্রি করা হচ্ছে একশো টাকায়। অল্পবয়সি যুবকদের মধ্যে এর বিপুল চাহিদা রয়েছে। তারা ওই ইঞ্জেকশন কিনে নিয়ে গিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে নিজেরাই শরীরে পুশ করছে। এরপরই এনসিবি’র একটি টিম মুর্শিদাবাদে হানা দেয়। সেখান থেকে রেজাউল করিম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ ইঞ্জেকশন। তাকে জেরা করে আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। জানা যায়, তার ওষুধের দোকান রয়েছে। কিন্তু লাইসেন্স ছাড়া বেআইনিভাবে ওই দোকান চালানো হচ্ছে। একইসঙ্গে সে কোনও ডিগ্রি ছাড়াই মেডিক্যাল প্র্যাকটিস করে। তার কাছে এনসিবি কর্তাদের আসার খবর কোনওভাবে পৌঁছে যাওয়ায় সে পালিয়ে যায়। তার বাড়ি থেকেও উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ ইঞ্জেকশন। প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই সেইসব ইঞ্জেকশন নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ইঞ্জেকশনের মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকার কাছাকাছি বলে দাবি করেছে এনসিবি।

দেগঙ্গাতে রাতের অন্ধকারে কালীমূর্তিতে আগুন দিলো দুষ্কৃতীরা, এলাকায় উত্তেজনা

IMG-20180505-WA0011উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত দেগঙ্গা থানা এলাকা হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের কারণে পশ্চিমবঙ্গে একটি পরিচিত নাম। এই থানা এলাকার মঙ্গলনগর গ্রামের শ্মশানকালী মন্দিরের মূর্তিতে আগুন লাগিয়ে দিলো দুষ্কৃতীরা। আগুন লেগে প্রতিমার বস্ত্র এবং মাথার চুল পুড়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের শ্মশান-এর আশেপাশে কোনো লোক বসতি নেই। ফলে তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে গত ৪ঠা মে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। মন্দিরটি পাকা হওয়ায় বড়সড় কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু মূর্তিতে আগুন লাগানোর ঘটনা ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার হিন্দুরা উত্তেজিত হয়ে পরে এবং তারা শ্মশানের কাছে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকেন। ঘটনার খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ, এসডিও ঘটনাস্থলে আসেন। তারা উদ্যোগ নিয়ে নতুন মূর্তি বসিয়ে দেন। এমকি তারা উত্তেজিত হিন্দু জনতাকে প্রতুশ্রুতি দেন যে সরকারি খরচে শ্মশানটিকে ইঁটের দেওয়াল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এই ঘটনায় কোনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি এবং দেগঙ্গা থানার ২জন পুলিশকর্মী মন্দির প্রাঙ্গনে মোতায়েন রয়েছে।

আশ্রমের জমি দখলের চেষ্টা, রুখে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতি

IMG-20180505-WA0002দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার আঁচনা। ওখানে রাস্তার ধারে সুশান্ত মহারাজের একটি আশ্রম রয়েছে, যা এলাকার সাধারণ হিন্দুদের কাছে অতি পরিচিত। আশ্রমের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে এলাকার হিন্দু জনসাধারণ উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু ওই জমির ওপর নজর স্থানীয় মুসলমানদের একাংশের। স্থানীয় মুসলমানদের একটি গোষ্ঠির সহযোগিতায় জাহির মোল্লা (পিতা-মৃত নাজিম মোল্লা) নামক ব্যক্তি দলবল নিয়ে এসে জমি দখল করে ঘর করতে শুরু করে। আশ্রমের সন্ন্যাসী বাধা দেন। তখনকার মতো কাজ বন্ধ করে চলে যায়। কিন্তু আশ্রমের মহারাজ জাহির মোল্লা ও স্থানীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। কোর্ট গত ৩রা মে ওই জমির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে এবং মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে তারা যেন ২১জুন,২০১৮ -এর মধ্যে কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে। কিন্তু কোর্টের আদেশ অমান্য করে গতকাল ৫ই মে, শনিবার মুসলমানরা আশ্রমের জায়গায় গায়ের জোরে ঘর তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু স্থানীয় হিন্দুরা সাহায্যের জন্যএগিয়ে আসেনি। এমনকি মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে জানানো হলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশ সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসেনি। তখন সুশান্ত মহারাজ হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী রাজকুমার সরদারকে ফোন সমস্যার কথা জানান এবং সাহায্যের জন্যে আবেদন করেন। শ্রী রাজকুমার সরদার হিন্দু সংহতির কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে পুলিশ ওই জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে মন্দিরবাজার থানার পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে।

পুরুলিয়ার আদিবাসী স্কুলে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানী, গ্রেপ্তার স্কুলের কর্মী শেখ জালালউদ্দিন

পুরুলিয়ার বোরো থানার শুশুনিয়া এলাকায় একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের হস্টেলে একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি এবং যৌন হেনস্তার অভিযোগে চতুর্থ শ্রেণীর এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের নাম শেখ জালালউদ্দিন। গত ৪ঠা মে, শুক্রবার ওই চতুর্থশ্রেণীর কর্মচারীর গ্রেপ্তারের দাবিতে শুশুনিয়া এলাকায় বান্দোয়ান থেকে মানবাজার যাওয়ার রাস্তা ৫ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধ করে রাখে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা। পরে পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলে বিকেলে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।
পুরুলিয়ার পুলিস সুপার জয় বিশ্বাস বলেন, একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের হস্টেলে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। আগে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা রাস্তা অবরোধ করে। পরে পুলিস আন্দোলনকারী এবং ওই ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে। লিখিত অভিযোগ নেওয়ার পরই অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বেলা ১১টা নাগাদ স্কুল থেকে বেরিয়ে ছাত্রছাত্রীরা রাস্তা অবরোধ শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল এবং ভারত জাকাত সাঁওতাল পাঠওয়া গাঁওতা নামে দু’টি আদিবাসী সংগঠন। অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ এবং অবরোধ চলে দীর্ঘক্ষণ ধরে। ওই স্কুলের এক ছাত্রী নির্দিষ্টভাবে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও করে। বিভিন্ন অছিলায় হস্টেলে তাকে এবং তার একাধিক সহপাঠীকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্তার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরেই করা হতো বলে অভিযোগ। এমনকী ঘটনার কথা কাউকে জানালে হস্টেল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। এদিন আন্দোলনে শামিল ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের নেতা সুরজিৎ হাঁসদা এবং ভারত জাকাত সাঁওতাল পাঠওয়া গাঁওতার জেলার সভাপতি আদিত্য কুমার মুর্মু ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। একই সঙ্গে আদিবাসী ছাত্রীদের উপর নির্যাতনে অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর গ্রেপ্তারির পাশাপাশি কঠোর শাস্তিরও দাবি জানান তাঁরা। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিস বাহিনী সহ মহকুমা এবং ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। বোরো থানার পুলিসের সঙ্গেও আন্দোলনকারীদের আলোচনা হয়।
পরে এক ছাত্রীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শেখ জালালউদ্দিন নামে ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। এবিষয়ে স্কুলের টিআইসি অজিত মাহাতর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানী মদতপুষ্ট হ্যাকার,দুই কাশ্মীরি মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো দিল্লী পুলিস

গত ২৭শে এপ্রিল, শুক্রবার পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট একটি হ্যাকার-গোষ্ঠীর কার্যকলাপ ফাঁস করে দিল দিল্লি পুলিসের বিশেষ দল। ঘটনায় দুই কাশ্মীরি যুবককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই প্রথম এই ধরনের অভিযান চালিয়ে সাফল্য মিলেছে বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিস।
পুলিস জানিয়েছে, শাহিদ মাল্লা এবং আদিল হুসেন নামে ধৃত দুই যুবক পাঞ্জাবের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। শাহিদ বি-টেক করছিল এবং আদিলের বিষয় ছিল বিসিএ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪এ এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ধৃতদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য ১২০বি ধারাটিও যোগ করা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ‘টিম হ্যাকার থার্ড আই’ নামে ওই হ্যাকার গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত দেশের ৫০০টি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। যার মধ্যে গত জানুয়ারি মাসে হ্যাক হওয়া জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইটও রয়েছে। ধৃতদের জেরা করে গোটা চক্রে পাকিস্তান-যোগের বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিসের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাক গুপ্তচর সংস্থার সরাসরি যোগ ছিল। এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে ফয়জল আফজল এবং আমির মুজফ্ফর নামে দুই পাক নাগরিকের যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। এই ফয়জল এবং আমির আবার পাকিস্তানেরই হ্যাকার গোষ্ঠী পাক সাইবার অ্যাটাকার বা সংক্ষেপে পিসিএ’র সদস্য।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবাই এবং লাহোর থেকে অপারেশন চালানো এই গোষ্ঠী ২০১৬ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি ভারতীয় ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে।

কালনার ধর্মরাজের মন্দিরে পুজো দিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা তপন ঘোষ

tapandaগত ২৯শে এপ্রিল, রবিবার বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন কালনা মহকুমার অন্তর্গত জামালপুরের বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী বুড়ো ধর্মরাজের মন্দিরে পুজো দিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়। শ্রী ঘোষ মহাশয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী বিশ্বজিৎ মজুমদার। মেলাতে শ্রী ঘোষ মহাশয়কে ঘিরে সাধারণ হিন্দু জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ আর উন্মাদনা ছিল। সকলে হাতে থাকা অস্ত্র আকাশের দিকে তুলে শ্রী ঘোষ মহাশয়কে স্বাগত জানান। এই মেলাতে  বর্ধমান,নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে প্রচুর ভক্ত বুদ্ধপূর্ণিমার দিন আসেন। সকলে অস্ত্র নিয়ে খেলতে খেলতে আসেন ধর্মরাজের মন্দিরে পুজো দিতে। অনেকে এই মন্দিরে মানদ করেন। তারপর মনোকামনা পূর্ণ হলে পশু বলি দেন। এইবারে প্রচুর ভক্ত মন্দিরে পূজাসহ  পশু বলি দেন।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে ত্রিপুরার কমলাসাগর সীমান্ত

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে অনুপ্রবেশের নতুন রাস্তা খুঁজে পায়েয়েছে। বর্তমানে মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরা হয়ে ভারতের অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ক্ষেত্রে ত্রিপুরার বিশালগড় মহকুমার মিঞাপাড়া হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশের করিডর হয়ে উঠেছে। গত চার-পাঁচ মাস ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিঞাপাড়া হয়ে ভারতে ঢুকে আসাম হয়ে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। মধুপুর থানা এলাকার মিঞাপাড়া হলো পাচারের মুক্তাঞ্চল। এটা বিএসএফ-এর কমলাসাগর বর্ডার অউটপোস্টের অধীনে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে,মিঞাপাড়া সীমান্তের ১১০, ১১১, ১১২,১১৩ এবং ১১৪ নং গেটের মাঝের কাঁটাতার পেরিয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা প্রবেশ করে। দুপুরে বিএসএফ-এর জওয়ানরা যখন ডিউটি বদল করে,তখন ভারতীয় দালালরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতে প্রবেশ করায়। তারপর তাদেরকে কাছের মুসলিম বস্তি রানিরবাজারের কাওয়ামারা এলাকায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। সেটাই হলো অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেসক্যাম্প। সেখানে তাদের ভারতবর্ষ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। রাস্তায় কি কথা বলতে হবে,বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করলে কি উত্তর দিতে হবে এইসব শেখানো হয়।এমনকি সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন সকলে হিন্দি ভাষায় কথা বলে।  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ভারতে যে সমস্ত রোহিঙ্গা মুসলিম আসছে, তারা রেলপথে বাংলাদেশের কসবা স্টেশনে এসে নামছে। সেখান থেকে এরা দালাল ধরে মিঞাপাড়া সীমান্তে এসে ভারতে প্রবেশ করছে। গত চার-মাস ধরে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ চললেও, বিএসএফ আজ পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে পারেনি। অথচ ত্রিপুরা পুলিশ রাস্তা থেকে ধরছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের। যা দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরে মুসলিম দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন বিবেকানন্দ সেবাকেন্দ্রের স্বামী রামানন্দ মহারাজ

গত ২৩শে

এপ্রিল, সোমবার সন্ধাবেলায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত বিবেকানন্দ সেবা কেন্দ্রের প্রেসিডেন্ট স্বামী রামানন্দ মহারাজ দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন। স্বামী রামানন্দ মহারাজ গঙ্গারামপুরের আইসি কে করা তার অভিযোগে জানিয়েছেন যে, তিনি সেবামূলক কাজের জন্যে কাশিম ৭নং জাহাঙ্গীরপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরতে ওনার সন্ধ্যা হয়ে যায়। তিনি শিববাড়ি রাস্তা ধরে আশ্রমে ফিরছিলেন। কিন্তু হলিক্রস মিশন স্কুলের সামনের মোড়ে দুজন দুষ্কৃতী বাইক নিয়ে রাস্তা আটকায়। রামানন্দ মহারাজ গাড়ি থেকে নামাতেই ওই দুই দুষ্কৃতী মারধর করে মহারাজকে। তারপর মহারাজের মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে হুমকি দেয় যে গঙ্গারামপুরে সাধুদের কোনো কাজ চলবে না।  হিন্দুদের জন্যে করা সংগঠনের কাজ ছেড়ে দেবার হুমকি দেওয়াও হয় মহারাজকে। তারপর মহারাজকে ছেড়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। ওই মুসলিম দুষ্কৃতীদের মারে স্বামী রামানন্দ মহারাজ আহত হন। তিনি গঙ্গারামপুর এস ডি হাসপাতালে চিকিৎসা কোরান। বাইকের হেলমেট দিয়ে মহারাজের কাঁধে দুষ্কৃতীরা আঘাত করায় কাঁধে যথেষ্ট ব্যাথা রয়েছে। এমনকি ছুরি দিয়ে মহারাজের উরুতে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। বর্তমানে স্বামী রামানন্দ মহারাজ সুস্থ রয়েছেন। তবে প্রায় দুদিন হতে চললেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোনো দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।